স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে বিজেপির অভিযানকে তীব্র আক্রমণ করলেন রাজ্যের পূর্ত মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। সেইসঙ্গে তাঁর দাবি, রেল হেনস্থা না করলে আরও দ্রুত ব্রিজের কাজ শেষ করত তাঁর দফতর।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এদিন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেছেন, ‘পূর্ত দফতর কাজটা শেষ করেছিল ২০১৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। মাত্র ৭০ মিটার রেলের অংশটি ভাঙতে সময় লেগেছিল ১৪২ দিন। প্রতি পদে রেলের এই অব্যবস্থা ও হেনস্থা না থাকলে আমরা এই ব্রিজ আরও দ্রুত শেষ করতে পারতাম। আমাদের আধিকারিকরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রেলওয়ের দফতরে গিয়ে বসে রয়েছেন।

এরপরই বিজেপিকে আক্রমণ করে পূর্ত মন্ত্রী বলেন, “যারা বাংলাকে বঞ্চিত করার চেষ্টা তাদের এই বিক্ষোভ শোভা পায় না। ভালো করে আগে নিজেরা কাজ করতে শিখুন। বিহারে ব্রিজ হয়েছে। এক মাসের মধ্যে দুটো ব্রিজ ভেঙে পড়েছে। তারা আজ বিক্ষোভ দেখাচ্ছে।”

বিজেপিকে তুমুল আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর প্রশ্ন, রেলের অনুমতি চেয়ে ৯ মাস যখন অপেক্ষা করতে হচ্ছিল, তখন বিজেপি কী করছিল?

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৯ মাস আগেই মাঝেরহাট ব্রিজ চালু করা যেতে পারত। রেল অনুমতি দেয়নি, তাই ৯ মাস ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। তাঁর মতে, ভোটের সময় বড়বড় ভাষণ দিতে চলে আসে বিজেপি নেতারা।

অবিলম্বে মাঝেরহাট সেতু খোলার দাবিতে বিজেপি বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় তারাতলা। বিক্ষোভের ঘটনায় এদিন আটক করা হয় কৈলাশ বিজয়বর্গীয়কে।

এদিন বিক্ষোভস্থলে বিজয়বর্গীয় এসে উপস্থিত হওয়ার আগেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বিক্ষোভ তুলতে গেলে ধুন্ধমার বেঁধে যায়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। ব্যাপক গোলমাল বাধে। অভিযোগ, পুলিশের উপর ইট বৃষ্টি করতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। তারপরই পুলিশ পাল্টা লাঠিচার্জ করতে শুরু করে। পুলিশের লাঠির ঘায়ে বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায় বলেও অভিযোগ।

এপ্রসঙ্গে মমতার কটাক্ষ, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়কে পুলিশ গ্রেফতার করেনি, তাও বলছে গ্রেফতার। ভোটের সময় যারা গুন্ডামি করতে আসে, তারা বহিরাগত। বাংলায় বহিরাগতদের কোনও জায়গা নেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।