প্রতীকী ছবি

ছাংলাং/ভাটীন্ডা/আগরতলা: বুধবার সকাল থেকে একাধিক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে দেশের বিভিন্ন অংশ। উত্তর থেকে উত্তর-পূর্ব ভারত। কিছুক্ষণের ব্যবধানেই কেঁপেছে একের পর এক রাজ্য। বর্ষা শুরু হতেই বারবার ভূমিকম্পে কাঁপছে দেশের রাজ্যগুলি।

এদিন সকালে উত্তর-পূর্বের রাজ্য ত্রিপুরা কেঁপে উঠেছে ভয়াবহ ভূমিকম্পে। সকাল ৬টা বেজে ২ মিনিটে ৪.৮ তীব্রতার এই ভূমিকম্পের উৎস বেলোনিয়া থেকে ৪৩ কিলোমিটার দক্ষিণে, এমনটাই জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি।

আবার দেড়ঘণ্টা বাদে ৪.৫ তীব্রতার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পঞ্জাবের ভাটিণ্ডা। পঞ্জাবের ভাটীন্ডার ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিমে এর উৎসস্থল বলেও জানা গিয়েছে। এদিন সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে এই ঘটনা ঘটেছে বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে।

আবার মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে কেঁপে উঠেছে অরুণাচলপ্রদেশের ছাংলাং। ১৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে সকাল ৮টা বেজে ১১ মিনিট নাগাদা এই কম্পন প্রথম অনুভূত হয়েছে বলেও জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি।

পাশাপাশি, সাতসকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৮। ভোর ৫টা ১৯ নাগাদ এই কম্পন অনুভূত হয়।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানাচ্ছে, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে দিগলিপুর এলাকার কাছে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। জানানো হয়েছে এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল দিগলিপুর এলাকা থেকে ৪২ কিমি দূরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিমি নীচে ছিল এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল।

একের পর এক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে দেশ। যা নিয়ে রীতিমতো আশঙ্কার মেঘ দেখা দিচ্ছে ভূ-বিজ্ঞানীদের কপালে। প্রায় প্রতিদিনই দিল্লি, লাদাখ, মিজোরাম, ত্রিপুরা , হরিয়ানার মতো একাধিক এলাকায় ভূমিকম্প হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে-র রিপোর্ট বলছে, কোনও জায়গায় ছোট ছোট একাধিক কম্পন পর পর হওয়ার অর্থ বড় ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ