কলকাতা: মডেল কোড অব কনডাক্ট বা নির্বাচনী বিধি কী বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিতে পারে? কংগ্রেস পুার্টিকে দেখে মনে হচ্ছে ওরা ক্রন্দনরত শিশু৷ শিশুর মতো কান্নাকাটি শুরু করেছে৷ বক্তার নাম অরুণ জেটলি৷

দেশের অর্থমন্ত্রীর আরও দাবি, কংগ্রেস সহ বেশ কিছু রাজনৈতিক দল এই নির্বাচন মরশুনে বারবার অভিযোগ করে চলেছে যে তাদের বিরোধীরা নির্বাচন বিধি ভাঙছে৷ তাদের মনে রাখা প্রয়োজন, নির্বাচনী বিধি বা আদর্শ আচরণবিধি কখনও বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না৷ জেটলির বক্তব্য, ভালো করে বুঝতে হবে৷ তারপরেই অভিযোগ করতে হবে৷ অনেকেই হয়তো জানেন না বাক স্বাধীনতা নির্বাচনী বিধি বা আদর্শ আচরণবিধি ভাঙে না৷

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী একটি ব্লগ লিখেছেন৷ সেই ব্লগে তিনি জানিয়েছেন, ‘‘নির্বাচনী বিধি বা আদর্শ আচরণবিধি কখনই বাক স্বাধীনতাকে হরণ করতে পারে না৷ দুটির বন্দুত্বপূর্ণ সহাবস্থান প্রয়োজন৷ তিনি জানিয়েছেন, ‘‘সংবিধানের ধারা ৩২৪ নির্বাচন কমিশনকে আইনের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে কাজ করার অধিকার দেয়নি৷ বরং, বলা হয়েছে যেখানে আইন প্রবেশ করতে পারে না, সেখানে নির্বাচন কমিশন পৌছে যাক৷’’ সংবিধান নির্বাচন কমিশনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার জন্য সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার দিয়েছে৷ কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল বারবার নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করছে যে তাদের বিরোধীরা বিভিন্ন মন্তব্য করছে৷ তাদের আইনটা বোঝা প্রয়োজন৷

জেটলির বক্তব্য, ‘‘আমি রাজনৈতিকদলগুলিকে বলতে চাই রাজনৈতিক বক্তব্যের বিরুদ্দে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানোর আগে বোঝা দরকার নির্বাচনী বিধি বা আদর্শ আচরণবিধি কখনও বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না৷’’ প্রঙ্গত কিছুদিন আগেই নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্যের বিত্তিতে ভুরি ভুরি অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা পড়েছিল৷

মোদী মহারাষ্ট্রে একটি জনসভায় প্রথমবারের ভোটারদের বলেছিলেন, আপনার ভোট কী বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক চালানো বীর সৈনিকদের দিকে যাবে? আপনার ভোট কী পুলওয়ামার শহিদ জাওয়ানদের দিকে যাবে? ণোদীর ওই বক্তব্যের পর বিরোধী রাজনৈতিকদবগুলি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানায়৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশন মোদীর বক্তব্যে নির্বাচনী বিধি বা আদর্শ আচরণবিধি ভাঙার কোনও দৃষ্টান্ত খুঁজে পায়নি৷ জেটলির বক্তব্য, ওই ভাষণে প্রধানমন্ত্রী কোথাও কোনও রাজনৈতিক দলের কথা উল্লেখ করেছিলেন কী? করেন নি৷ তাহলে কী করে সেনার দৃষ্টান্ত তুলে আদর্শ আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ করা হয়েছিল?