ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: মিলছে রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ভাতা। এতেই বেজায় খুশি বিভিন্ন শিল্প এবং সাংস্কৃতিক জগতের ব্যক্তিরা। সেই কারণে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রচারে নামলেন কলাকুশলীরা।

তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে খুশি নাট্যশিল্পী থেকে লোকশিল্পী ও বাউলশিল্পীরা। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত কতে আসন্ন সপ্তদশ লোকসভায় প্রচারে নামলেন নাট্য সংস্থার কলাকুশলীরা।

বর্তমান সরকারের আমলে লোকশিল্পী, বাউলশিল্পী থেকে নাট্যশিল্পীরা বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যদিয়ে ভাতা পাচ্ছেন। তাই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনীত প্রার্থীরা যাতে বিপুল ভোটে জয়লাভ করতে পারে তার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন লোকসভার বিভিন্ন প্রান্তে নাটক ও গান পরিবেশন করে ভোটারদের তৃণমূল কংগ্রেসে ভোটদানের আবেদন জানাচ্ছেন।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক ও কাঁথি লোকসভা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল লোকসভার বিভিন্ন প্রান্তে শো শুরু করেছে মহিষাদলের শিল্পকৃতি নাট্যসংস্থা। আগামী ১২ই মে রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার তমলুক, কাঁথি ও ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে ভোট রয়েছে। তাই সোমবার রাত থেকে নাটক ও গানের মধ্যদিয়ে তৃণমূলের প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার শুরু করে দিয়েছে মহিষাদল শিল্পকৃতি নাট্যসংস্থার কলাকুশলীরা।

মহিষাদল শিল্পকৃতি নাট্যসংস্থার কর্নধার সুরজিত সিনহা জানান,বাম সরকারের আমলে নাট্যশিল্পী, লোকশিল্পী, বাউলশিল্পীদের কথা ভাবা হতো না। রাজ্যে পালাবদলের পর মা মাটি মানুষের সরকার আসার পর শিল্পীরা তাদের মর্যাদা পাচ্ছে।তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত আরো শক্তকরার জন্য আমরা প্রচারে নেমেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন মানুষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে নাটক ও গানের মধ্যদিয়ে। এলাকার মানুষও অধীর আগ্রহে আমাদের নাটক ও গান শুনছেন।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব