পরাগ মজুমদার, মুর্শিদাবাদ: ডোমকলে ফের শুরু হয়েছে ভোট যুদ্ধ৷ লাগামহীন সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে ভোটের ময়দানে থাকছে না বিজেপি-কংগ্রেস৷ ভোট সন্ত্রাস আর প্রহসনের অভিযোগ এনে  কংগ্রেসের মতই  বিজেপি ও তাদের ২০ জন প্রার্থীকেই ডোমকল পুরভোট থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে বলে জানিয়েছে৷ জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক সুভাস মণ্ডল এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন৷

ইতিমধ্যেই ডোমকলে  তৃণমূলের সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বহরমপুর , জিবন্তি, বেলডাঙ্গা, রেজিনগর, ফরাক্কা , সাগরদিঘি এলাকায় রাজ্য  ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ,তথা বহরমপুরের সুংসাদ অধীর চৌধুরী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জেলা পুলিশের আশ্বাসে আমি ভুল বুঝেছি৷ নির্বাচন কমিশনের আশ্বাসে ভেবে ছিলাম মানুষ অন্তত নিজের ভোটটা নিজে দিতে পারবেন৷ কিন্তু রাত থেকেই তৃণমূলের বহিরাগতরা ডোমকলে  ঢুকে  পুলিশের উপস্থিতিতে তাণ্ডব চালায়৷ গুলি চলল৷ বোমা  ছোঁড়ল৷ আর পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখল!’’

পুনর্নির্বাচনের বিরোধীদের ভোটারদের বন্দুক দেখিয়ে  ভয় দেখানো হচ্ছে বেলও অভিযোগ তোলেন তিনি৷ তাই তাঁরা এই ভোট গ্রহণকে অবৈধ মনেকরছেন তাই ফের কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে নতুন করে ভোটের দাবি জানাচ্ছেন অধীর৷ তিনি আরও বলেন, ‘‘মহিলা, বিধায়ক, সাংবাদিক কেউই গুণ্ডাদের আক্রমণের থেকে রেহাই পাননি। অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকারকে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা জরুরি৷’’

অধীরের এক সময় এর রাজনৈতিক সচিব ,বর্তমানে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র অশোক দাস বলেন, “হেরে  যাওয়ার আশঙ্কায়, অধীর বাবুরা  ভোটের ময়দান থেকে মাঝপথ এই সরে দাঁড়ালেন। আসলে প্রমাণ হল অধীর চৌধুরীর পিছনে কোন মানুষ নেই৷’’
যদিও জোট ধর্ম মেনে ভোটের আগে কংগ্রেসের তিন প্রার্থীর তৃণমূল শিবিরে চলে যাওয়াকে মোটেই নিজেদের সাংগঠনিক ত্রুটি হিসেবে দেখতে রাজি নয় কংগ্রেস। তবে ডোমকলে তৃণমূলের মুখ ও ৫ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী  সৌমিক হোসেন  কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘অধীরবাবু ও আনিসুর বাবুরা জোট করেও ভোট করতে পারলেন না৷ এটা ওনাদের  ব্যর্থতা। আসলে  মানুষ  ওদের প্রত্যাখ্যান  করেছেন৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।