লন্ডন: গ্যাবন স্ট্রাইকার পিয়ের এমেরিক আউবামেয়াং’য়ের জোড়া গোলে রেকর্ড বর্ধিত করে ১৪ বার এফএ কাপ ঘরে তুলল আর্সেনাল। শনিবার ওয়েম্বলিতে মিকেল আর্তেতার প্রশিক্ষণাধীন আর্সেনালের পক্ষে ম্যাচের ফল ২-১। সদ্য সমাপ্ত প্রিমিয়র লিগে অষ্টম স্থানে শেষ করার পর এফএ কাপ জয়ে কিছুটা অক্সিজেন পেল গানার্সরা। কারণ এই খেতাব জয়ের সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপা লিগের ছাড়পত্রও পেয়ে গেল তাঁরা।

যদিও ওয়েম্বলিতে এদিন ম্যাচের পাঁচ মিনিটের মাথায় ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচের গোলে এগিয়ে যায় চেলসি। প্রথম মার্কিন ফুটবলার হিসেবে এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর দ্বিতীয় কনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে এফএ কাপ ফাইনালে এদিন গোলের নজির গড়েন বছর একুশের পুলিসিচ। কিন্তু ২৮ মিনিটে অধিনায়ক সিজার অ্যাজপিলিকুয়েতার ভুলে ম্যাচে সমতা ফেরায় গানার্সরা। লম্বা বল তাড়া করে গোলমুখে আগুয়ান আউবামেয়াংকে বক্সের মধ্যে টেনে ফেলে দেন সিজার। পেনাল্টি পায় আর্সেনাল।

স্পটকিক থেকে ম্যাচে সমতা ফেরাতে ভুল করেননি গ্যাবন স্ট্রাইকার আউবামেয়াং। এরপর বিরতির আগে ও পরে জোড়া ধাক্কা নেমে আসে ব্লুজ’দের শিবিরে। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন অ্যাজপিলিকুয়েতা এবং পুলিসিচ। চেলসির ভারসাম্য নষ্ট হতেই সেই সুযোগ কাজে লাগায় আর্সেনাল। ৬৭ মিনিটে চেলসি গোলরক্ষক উইলি কাবালেরোকে বোকা বানিয়ে তাঁর মাথার উপর দিয়ে চিপ করে বল জালে রাখেন আউবামেয়াং। এর ঠিক ছ’মিনিট বাদে চেলসির হতাশা আরও বাড়িয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় মাতেও কোভাচিচকে। চেলসির ম্যাচে ফেরার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায় সেখানেই।

উল্টোদিকে ম্যাচ জিতে ইউরোপা লিগে খেলার টিকিট নিশ্চিত করে ফেলে আর্তেতার দল। গত সাত মরশুমে এই নিয়ে চতুর্থবার এফএ কাপ ঘরে তুলল আর্সেনাল। সদ্য শেষ হওয়া প্রিমিয়র লিগে অষ্টমস্থানে শেষ করায় ইউরোপা লিগে যোগ্যতা অর্জনের সরাসরি সুযোগ হাতছাড়া করে গানার্সরা। এফএ কাপ জয় সেই সুযোগ করে দিল তাঁদের। একইসঙ্গে এফএ কাপ জয়ের সুবাদে আগামী ২৯ অগস্ট প্রিমিয়র লিগ চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলের সঙ্গে এফএ কমিউনিটি শিল্ডে মুখোমুখি হবে আর্সেনাল।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।