লন্ডন: ঘরের মাঠে বেনফিকাকে হারিয়ে ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোয় জায়গা পাকা করল আর্সেনাল। পিয়ের এমেরিক আউবামেয়াং’য়ের জোড়া গোলে পর্তুগিজ ক্লাবকে বৃহস্পতিবার ৩-২ গোলে হারাল গানার্সরা। প্রথম লেগে বেনফিকার ঘরের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করেছিল মিকেল আর্তেতার ছেলেরা।

এদিন ম্যাচের ২১ মিনিটে বুকায়ো সাকার থ্রু ধরে গ্যাবন স্ট্রাইকার আউবামেয়াং’য়ের গোলে ম্যাচে লিড নেয় আর্সেনাল। কিন্তু বিরতির আগে দিয়েগো গন্সালভেস দুরন্ত ফ্রি-কিকে গোল করে সমতায় ফেরান লিসবনের ক্লাবটিকে। দ্বিতীয়ার্ধে আর্সেনাল রক্ষণের ভুলে রাফা সিলভা আবার গোল করে অ্যাওয়ে দলকে এগিয়ে দিলে চাপে পড়ে যায় আর্সেনাল। তবে ঘরের মাঠে সমতায় ফিরতে বিশেষ সময় নেয়নি গানার্সরা। ৬৭ মিনিটে বক্সের মধ্যে বাঁ-পায়ের দুরন্ত শটে গোল করে ২-২ করেন কিরান টিয়ের্নে।

ম্যাচ শেষের তিন মিনিট আগে ফের সাকা-আউবামেয়াং যুগলবন্দিতে জয়সূচক গোল পেয়ে যায় আর্সেনাল। সাকার ডানপ্রান্তিক ঠিকানা লেখা ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে দলের শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেন গ্যাবন স্ট্রাইকার। ম্যাচ শেষে আউবা বলেন, ‘আজকের রাতটা আমরা সবাই খুশি। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভুলগুলোকে প্রতিনিয়ত নিজের শক্তিতে পরিণত করতে চাই। আর এতেই ভাল খেলার শক্তি পায়। ম্যাচটা কঠিন ছিল তবে আমরাই যোগ্য দল হিসেবে জিতেছি।’

অন্যদিকে প্রথম লেগের ফলাফলের পর ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের শেষ ষোলো একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। এদিন তাতে সিলমোহর পড়ল। রিয়াল সোসিয়েদাদের ঘরের মাঠে এদিন গোলশূন্য শেষ করল সোল্কজায়েরের ছেলেরা। কিন্তু নিরপেক্ষ ভেন্যুতে প্রথম লেগে ৪-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল তারা। তাই এদিনের ড্র কোনওরকম প্রভাব ফেলেনি লাল ম্যাঞ্চেস্টারের পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার ব্যাপারে। অন্য ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব স্লাভিয়া প্রাগের কাছে হেরে ইউরোপা লিগ থেকে ছুটি হয়ে গেল লেস্টার সিটির।

ঘরের মাঠে চেক ক্লাবটির কাছে ০-২ গোলে হারলেন জেমি ভার্ডিরা। দ্বিতীয়ার্ধে প্রাগের ক্লাবটির হয়ে গোলদু’টি করেন লুকাস প্রভোদ এবং আবদাল্লাহ সিমা। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়ে লেস্টার কোচ বলেন, ‘হতাশাজনকভাবে দু’টো গোল উপহার দিলাম আমরা। যোগ্য দল হিসেবেই ওরা জিতেছে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।