কলকাতা : দেশে করোনা সংক্রমণ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছিলেন। সাতদিন আগে এই চিঠি তিনি লেখেন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কোন কোন জায়গায় ঘাটতি রয়েছে সেই বিষয়গুলি তিনি চিঠিতে তুলে ধরেছিলেন। তবে সাতদিন হয়ে যাওয়ার পরও প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রক থেকে সোনিয়া গান্ধীর চিঠির কোনও প্রাপ্তিস্বীকার বা উত্তর আসেনি। এর পরই সোনিয়া গান্ধী প্রধানমন্ত্রীকে “উদাসীন”, “দাম্ভিক” বলে কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে।

সোনিয়া গান্ধীর বক্তব্য, দেশে যে ভাবে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ বেড়ে চলেছে তাতে এই মুহূর্তে ২৫ বছরের ঊর্ধে যারা তাদের টিকাকরণ ও গরিব মানুষদের আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করুক কেন্দ্র। প্রসঙ্গত কংগ্রেসের তরফে করোনার প্রথম ঝাপ্টার সময়ও বিশ্বের বড় অর্থনীতিবিদরা এবং কংগ্রেসের তরফে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্কে টাকা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানানো হয়েছিল। যদিও সেই আর্জি কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার মান্যতা দেয়নি।

সোনিয়া গান্ধীর পর রাহুল গান্ধীও করোনার টিকাকরণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখেমং। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং একই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন রবিবার। দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম বলেন, এক বছর সময় পেয়েও নরেন্দ্র মোদী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে কোনও প্রস্তুতি নিতে পারেননি। সোনিয়া গান্ধীর সাফ কথা রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধে উঠে ভারতীয় হিসেবে করোনাকে মোকাবিলা করাই কংগ্রেসের রাজধর্ম। কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত গণতান্ত্রিক পথে কংগ্রেসের পরামর্শকে খতিয়ে দেখা। করোনা সংক্রমণ নিয়ে মানুষকে ভরসা দিতে ও সহযোগিতা করতে প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে রাজ্য স্তরে কন্ট্রোল রুম খুলতেও সোনিয়া গান্ধী নির্দেশ দিয়েছেন।

কংগ্রেসের করোনা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো কেন্দ্র করণের দ্বিতীয় ঢেউ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরী করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী করোনা নিয়ে যত বেশি প্রচার করছেন সেই হারে কাজ করছেন না। শুধু নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়াচ্ছেন। দেশে টিকা উৎপাদন বাড়াতে কেন্দ্র ব্যর্থ হয়েছে। সপবার জন্য টিকার ব্যবস্থা করা হয়নি। রাজ্যগুলিতে প্রয়োজন মতো টিকা বিলি হচ্ছে না। অথচ ধনী দেশে বিপুল পরিমানে টিকা রফতানি করা হচ্ছে। এমন কী পি এম কেয়ার্স ফান্ডে টাকা থাকা সত্ত্বেও রাজ্যগুলি সাহায্য পাচ্ছে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.