প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: বাংলাদেশ থেকে সোনা পাচার হত কলকাতায়৷ তা বিক্রি করে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হত বাংলাদেশে৷ এমনই একটি পাচার চক্রকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ৷ ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১০ লক্ষ টাকার বাংলাদেশি নোট৷

লালবাজার সূত্রে খবর, এসটিএফ ও মানিকতলা থানার যৌথ টিম উত্তর কলকাতায় অভিযান চালায়৷ হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয় তিনজন সোনা পাচারকারীকে৷ তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৮০ লক্ষ টাকার সোনার বিস্কুট এবং ১০ লক্ষ টাকার বাংলাদেশি নোট৷

কিছুদিন আগে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, কলকাতার বুকে জড়ো হবে বেআইনি সোনা-পাচার চক্রের চাঁইরা৷ তাও আবার দিনে দুপুরে৷ সেইমতো দু’দিন আগে উত্তর কলকাতার ক্যানাল ইস্ট রোডে অরবিন্দ সেতুর তলায় পৌঁছে গিয়েছিল পুলিশ৷ ওই দলে ছিলেন এসটিএফ এবং মানিকতলা থানার অফিসাররা৷ তবে টিমের সবাই ছিলেন সাদা পোশাকে৷

বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর বিকেল ৫টা নাগাদ ঘটনাস্থলে আসে তিনজন৷ সোর্স শনাক্ত করতেই তাদের ঘিরে ফেলেন এসটিএফ এবং মানিকতলা থানার তদন্তকারী অফিসারেরা। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ১৮টি সোনার বিস্কুট। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০ লক্ষ টাকা৷ সোনার ওজন ২ কেজি ১২৫ গ্রাম ৮৮ মিলিগ্রাম। এছাড়াও ধৃতদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১০ লক্ষ টাকার বাংলাদেশি নোট৷

ধৃতরা হল শাহাজামাল হালসোনা,নৌশাদ হালসোনা ও সজীব মণ্ডল৷ প্রথম দু’জনের বাড়ি নদিয়ার চাপড়ায়৷ আর সজীব মণ্ডলের বাড়ি বাগুইআটিতে৷ তিনজনেই কুখ্যাত সোনা পাচারকারী বলে জানাল পুলিশ৷ এরা বাংলাদেশ থেকে বেআইনি পথে কলকাতায় সোনা পাচার করত। তারপর সেই সোনা কলকাতার বড়বাজারে বিক্রি করত। সোনার পরিবর্তে যে টাকা পেত, তার থেকে নিজেদের ভাগটুকু রেখে, বাকি টাকা বাংলাদেশি নোটে বদলে নিত৷ তারপর সেই টাকা পাঠিয়ে দিত বাংলাদেশে৷