নয়াদিল্লি: অতিবামপন্থী বুদ্ধিজীবীদের গ্রেফতারে দেশজুড়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়৷ মোদী সরকার গণতন্ত্রকে কন্ঠরোধ করতে চাইছে এই অভিযোগে সোচ্চার হয়ে উঠেছে কংগ্রেস ও বামপন্থীরা৷ এদিকে বিরোধীদের বিশেষ করে কংগ্রেসকে প্যাচে ফেলতে ও পুনে পুলিশের ধরপাকড়ের ব্যাখ্যা দিতে আসরে নেমেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারও৷ জানিয়েছে, কংগ্রেস এখন এই গ্রেফতারির বিরোধিতা করছে৷ অথচ ইউপিএ আমলে দেশে সক্রিয় উগ্রপন্থী ও মাওবাদী সংগঠনের তৈরি তালিকা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ৷

আরও পড়ুন: মাওবাদী-জঙ্গি যোগে ক্রমশ চিন্তা বাড়ছে মোদী সরকারের

কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, ২০১২ সালে মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দেশ জুড়ে শাখা প্রশাখা বিস্তার করা উগ্রপন্থী ও মাওবাদী সংগঠনের তালিকা তৈরি করা হয়৷ ডিসেম্বর মাসে সেই তালিকা জমা পড়ে সরকারের কাছে৷ সেখানে ১২৮টি সংগঠনকে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ যাদের সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই(মাওবাদী) এর সঙ্গে যোগ পাওয়া গিয়েছে৷ ইউপিএ সরকার তখন বিভিন্ন রাজ্য সরকারকে চিঠি লিখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলে৷ যে সাত বুদ্ধিজীবীকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা তালিকাভুক্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত৷

আট মাস আগে ‘মোদী হত্যা খুনে’ একটি বেনামী চিঠিকে কেন্দ্র করে দেশের পাঁচটি রাজ্যে ধরপাকড় করে পুনে পুলিশ৷ গ্রেফতার করা হয় একাধি বুদ্বিজীবী ও সমাজকর্মীদের৷ তারা হলেন ভারাভারা রাও, সুধা ভরদ্বাজ, সুরেন্দ্র গাডলিং, রোনা উইলসন, অরুণা ফেরিয়ারা, ভার্মন গোনসালভেজ এবং মহেশ রাউত৷

আরও পড়ুন: ‘গণহত্যাকারীরা দাপাচ্ছে, আর বুদ্ধিজীবীদের ধরপাকড় চলছে!!

এই গ্রেফতারিতে গর্জে ওঠে বু্দ্ধিজীবী মহল থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদরা৷ কিন্তু ঘটনা হল এদের বিরুদ্ধে অতীতে জেলে যাওয়ার রেকর্ড রয়েছে৷ তাও আবার ইউপিএ আমলে৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ফেরিয়ারা ও গোনসালভেজকে ২০০৭ সালেও গ্রেফতার করা হয়৷ বেশ কয়েক বছর জেল খাটেন তাঁরা৷ এছাড়া ভারাভারা রাওকে অতীতে গ্রেফতার করে অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গনা পুলিশ৷ গণতন্ত্রবিরোধী কাজ করার জন্য এবং নিষিদ্ধ মাওবাদী সংগঠনের কার্যকলাপকে সমর্থন জানানোর জন্য গ্রেফতার করা হয় তাদের৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।