ফাইল ছবি

কলকাতাঃ  রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের নামে তাণ্ডব। একের পর এক স্টেশন, রেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মতো মারাত্মক ঘটনা ঘটেছে। শুধু তাই নয়, দফায় দফায় বিভিন্ন রাস্তায় অবরোধ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ আন্দোলনকারীদের। যদিও কড়া হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাজ্য পুলিশের। এখনও পর্যন্ত প্রতিবাদের নামে তাণ্ডব করার জন্যে ৩৫৪ জন গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোটা রাজ্যে ৩০০ রও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে জেলা পুলিশ-প্রশাসন। ধৃতদের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, মানুষকে হয়রানি সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

গত কয়েকদিন ধরে যেভাবে তান্ডব চলছিল তাতে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তড়িঘড়ি রবিবার রাতেই কালীঘাটের বাড়িতে জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিত কর পুরকায়স্ত। এছাড়াও ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব, মুখ্যসচিব, রাজ্যের পুলিশের ডিজি এবং এডিজি আইন শৃঙ্খলা। ছিলেন পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরাও।

বৈঠকে রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সার্বিক আলোচনা হয় বলে জানা যায়। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য পুলিশকে সতর্ক এবং সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও, হাঙ্গামা হলেই কড়া হাতে মোকাবিলা করার জন্যে পুলিশ-প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

জানা যায় এরপরেই পুলিশ-প্রশাসনের তরফে কড়া হাতে বিক্ষোভ মোকাবিলা শুরু হয়। ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। নবান্ন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৩৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল ভাঙচুর, সরকারি বাসে ভাঙচুর, সরকারি হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় এদের গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর আগে কড়া আইন আনে রাজ্য সরকার। যেখানে বলা হয় সরকারি সম্পতি নষ্ট কিংবা ভাঙচুর করলেই ছয় বছর জেল হবে। সেই সমস্ত ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

পুলিশ প্রশাসনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অরাজকতা করলে রেয়াত নয়। ইতিমধ্যে পুলিশের তরফে হেল্প লাইন চালু করা হয়েছে। কোনও মানুষ সমস্যা পড়লেই ওই হেল্পলাইন ফোন করতে বলা হয়েছে।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I