স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: খোঁজ মিলল নিখোঁজ অফিসার অর্ণব রায়ের৷ হাওড়া স্টেশন থেকে তাঁকে উদ্ধার করে সিআইডি৷

মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা যায়৷ আপাতত হাওড়ায় শ্বশুর বাড়িতে রয়েছেন ওই ডব্লুবিসিএস অফিসার৷

ভোটের কাজে নোডাল অফিসার ছিলেন তিনি৷ নদিয়ার ভিভিপ্যাটের দায়িত্বে ছিলেন অফিসার অর্ণব রায়৷ গত ১৮ই মার্চ কাজে যোগ দেওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি৷ প্রথমে কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়৷ পরে রাজ্য সরকারিরের ওই অফিসারের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে সিআইডি৷

অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর অর্ণব রায়কে উদ্ধার করল রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা৷ কিন্তু কেন এই ঘটনা? স্বেচ্ছায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন, নাকি জোড় করে তাঁকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়, এখন তারই সন্ধানে সিআইডি গোয়েন্দারা৷

জানা গিয়েছে ওই ডব্লুবিসিএস অফিসারের শ্বশুর বাড়ির লোকেদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন সিআইডি গোয়েন্দারা৷

নদিয়ার কৃষ্ণনগরে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটের দায়িত্বে থাকা সরকারি আধিকারিক অর্ণব রায় নিখোঁজ৷ নির্বাচনের কাজের যোগ দিয়ে আর বাড়ি পেরেনি সে৷ রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়৷

গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে পাওয়া যাচ্ছিল না তাঁকে। অফিসেই পড়েছিল গাড়ি৷ ওই দিন গভীর রাতে কোতোয়ালি থানায় অর্ণবের নিখোঁজ হওয়ার ডায়েরি করা হয়। এতটা সময় পেরিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকবাবেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন অর্ণবের বাড়ির লোকেরা৷ কৃষ্ণনগরের নদিয়া জেলা প্রশাসনিক ভবনের সহকর্মী ও আধিকারিকরাও তিছু বুঝে উঠতে পারছিলেন না। প্রশ্ন উঠেছিল ভোটের কাজ নিয়ে কোনও পদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে মতান্তর নাকি পারিবারিক কোনও কারণে তিনি নিরুদ্দেশ হয়ে যান৷

সরকারি আধিকারীক নিখোঁজ এই খবর পেয়েই তাঁর সন্ধানে নামে পুলিশ৷ ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও খোঁজ মেলে না৷ নিখোঁজ অর্ণবের স্ত্রী জানান পারিবারিক বা দাম্পত্য অশান্তি ছিল না৷ নিখোঁজ অফিসারের খোঁজে দায়িত্ব দেওয়া হয় সিাইডিকে৷

সরকারি আধিকারীক নিখোঁজ এই খবর পেয়েই তাঁর সন্ধানে নামে পুলিশ৷ তাঁর দু’টি মোবাইল ‘সুইচড অফ’ পাওয়া যায়৷ ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও খোঁজ মেলে না৷ নিখোঁজ অর্ণবের স্ত্রী জানান পারিবারিক বা দাম্পত্য অশান্তি ছিল না৷ নিখোঁজ অফিসারের খোঁজে দায়িত্ব দেওয়া হয় সিাইডিকে৷

অবশেষে এদিন সকালে মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নিখোঁজ নোডাল অফিসার অর্ণব রায়কে৷