গুয়াহাটি: বুধবার রাতে আচমকাই জরুরি অবতরণ করাতে হল ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টার চিতাকে৷ নাগাল্যাণ্ডের ডিমাপুর থেকে মিসামারির দিকে যাচ্ছিল এই চিতা হেলিকপ্টারটি৷ আচমকাই মাঝপথে জরুরি ভিত্তিতে অবতরণ করতে বাধ্য হয় এই কপ্টার৷ যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যই এই অবতরণ বলে সেনা সূত্রে খবর৷

কপ্টারের সব ক্রু সদস্যই নিরাপদে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷ মধ্য অসমের নাগাঁও জেলায় জরুরি অবতরণ করানো হয়৷ ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিট হল ‘সিয়াচেন পায়োনিয়ারস’। বিশ্বের উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন রয়েছে এঁরা। সেই ‘সিয়াচেন পায়োনিয়ারস’ ব্যাবহার করে এই চিতা চপারগুলিকে৷

আরও পড়ুন : মুখ থুবড়ে পড়া বিমান বাংলাদেশের ভয়াবহ স্মৃতি নিয়ে ফিরলেন যাত্রীরা

এর আগে জানা গিয়েছিল, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক রাশিয়া থেকে কামোভ-৩১ হেলিকপ্টার কেনার চুক্তি মঞ্জুর করেছে৷ দুই দেশের মধ্যে এই ১০ টি হেলিকপ্টার কেনার চুক্তিতে প্রায় ৩৬০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ ভারতীয় নৌসেনা তাদের জাহাজের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে মাথায় রেখে এই হেলিকপ্টার কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল৷ এই চুক্তি মঞ্জুর হওয়ার পর ভারতীয় নৌসেনার শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে৷

সূত্রের খবর এই হেলিকপ্টার অন্যন্য চপারের তুলনায় অনেকটাই হালকা৷ যার ফলে এই হেলিক্পটারে নিয়ন্ত্রন রাখা অনেকটাই সহজ বলে জানা গিয়েছে৷ প্রতিরক্ষা মন্ত্রাকে পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ভারত-রুসের চুক্তি অনুযায়ী এই ১০টি হেলিকপ্টার ভারত কিনছে৷ এই বিমান এখনও পর্যন্ত চিন এবং রাশিয়া ব্যবহার করেছে৷

আরও পড়ুন : পাকিস্তানি পতাকা গায়ে জড়িয়ে ছবি, বিতর্কে ভারতীয় অভিনেত্রী

ভারতের কাছে আগেই ১২টি কামোভ-৩১ চপার রয়েছে৷ এই চপার ভারতের সমুদ্রে লড়াকু বিমান বাহনের রক্ষার দায়িত্বে রয়েছ৷ ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাশিয়া সফরে গিয়ে ১০টি কামোব-৩১ চপার কেনার চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করে আসেন৷