জম্মু: জনগণের কাছে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি সেনা কনভয়ে অন্তর্ভুক্ত গাড়িতে লাগানো পতাকার রঙ পরিবর্তন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী তাদের পতাকার রঙ লাল থেকে নীল করেছে।এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্যান্টনমেন্টের দেওয়ালে কাশ্মীরের তরুণদের ছবি লাগানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

শনিবার লেফটেনেন্ট কর্নেল খান জানিয়েছেন, কাশ্মীরের মানুষের কাছে আরো বেশি করে পৌঁছাতে হবে। তাই ভারতীয় সেনা কনভয়ের উপর লাগানো পতাকার রঙ লাল থেকে নীল করে দেওয়া হয়েছে।এবং যে সমস্ত কাশ্মীরি যুবক ভারতের বিভিন্ন জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকার করছে এবং কাশ্মীরের যুবকদের অনুপ্রেরণা বাড়াচ্ছে সেই সমস্ত যুবকদের ছবি খুব শীঘ্র আর্মি ক্যান্টনমেন্টের দেওয়ালে আঁকা হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, সৈন্যদের হাতে কোনও লাঠি থাকবে না।বরং যানবাহন থামানোর জন্য হুইসিল বাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।যানবাহনে কাশ্মীরের সুন্দর অঞ্চলগুলোর ছবি আঁকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।এছাড়া কনভয় যেখানে থামবে সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীর তরফ থেকে উপত্যকায় সফলতার সঙ্গে নানা মিশন পরিচালনা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীতে দেশের প্রত্যেক অঞ্চল থেকে লোক আসে এবং প্রত্যেক ধর্মের লোকদের সেনাতে জায়গা দেওয়া হয়।এই কারণে উপত্যকার কিছু লোক ভারতীয় সেনা ‘পিপলস আর্মি’ হিসাবেও অভিহিত করে।সেনাবাহিনীর অনেক মানবিক মিশন রয়েছে যা উপত্যকার মানুষকে আরও কাছে আনছে।

কাশ্মীরের কৃষিক্ষেত্র, স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের জন্যে ভারতীয় সেনা একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। নব্বইয়ের দশকে, উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদ যখন মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। তখন সেনাবাহিনী কাশ্মীরবাসীদের জন্যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলো।

নব্বইয়ের দশকে, কাশ্মীরের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য এবং স্থানীয় জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য একটি বিস্তৃত কর্মসূচি সামনে রাখা হয়েছিল। ‘অপারেশন সদভাবনা’ সরকার চালু করেছিল।তার ৩০ বছর পরেও এই প্রকল্পটির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ কাশ্মীরি উপকৃত হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় সরকার বর্তমানে জম্মু ও কাশ্মীরের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল উন্নয়নের দিকে মনোনিবেশ করছে। এখানে কৃষি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিষেবা খাতে উন্নয়ন এখন কেন্দ্রীয় সরকারের মূল লক্ষ। এ জন্য কাশ্মীরের প্রতিটি অংশের মানুষের মন জয় করার চিন্তাভাবনা নিয়েছে সরকার।

২০১৯ সালে ৫ আগস্ট জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারাটির বাতিল করা হয়। রাজ্যটি জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের মতো দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে যায়। ৩৭০ ধারা অপসারণের পরে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ উপত্যকার সীমান্ত অঞ্চলে উন্নয়নের লক্ষ্যে ৬ টি সেতু উদ্বোধন করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.