নয়াদিল্লিঃ   পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা।  অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল ছুঁড়ে নিয়ন্ত্রণ রেখায় একের পর পাকসেনা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা।  যদিও মুখরক্ষায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি এমনটা নাকি ঘটেইনি।  ভারতীয় সেনার তরফে নাকি কোনও হামলাই নাকি করা হয়নি।   আর পাকিস্তানের এহেন দাবি একেবারে নস্যাৎ করে দিতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আরও একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করল ভারতীয় সেনা।  নয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একের পর এক ভারতের মিসাইল মুহূর্তের মধ্যে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে পাকিস্তানের সেনা ঘাঁটিগুলি।

সূত্রে জানা গিয়েছে, পাক সেনাঘাঁটিতে সেই সময় থাকা ১০ থেকে ১২ জন পাকিস্তান আর্মির জওয়ানও খতম হয়েছে।  শুধু তাই নয়, সেই সময়ে এহেন পাকসেনা ঘাঁটি অর্থাৎ লঞ্চপ্যাডে থাকা ২০ থেকে ২৫ জন জঙ্গিও খতম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  যদিও পাকিস্তান তা মানতে নারাজ।  কারণ, এহেন দাবি মেনে নিলে আন্তজার্তিক ক্ষেত্রে মুখ লুকানোর জায়গা থাকবে না পাকিস্তানের।

তবে পাকিস্তানকে চাপে ফেলতে আরও বেশ কিছু নমুনা এখনও ভারতীয় সেনার হাতে রয়েছে বলে ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন সেনাপ্রধান।  এই দুই ভিডিও শুধুমাত্র নমুনা বলেই দাবি।

 

প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার যে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয় সেখানে দেখানো হয়, এক ডজন গোলায় চুরমার হয়ে যাচ্ছে ৮-১০টি পাক সেনা বাঙ্কার।  এই ভিডিও অনেকটাই দূর থেকে।  তবে নয়া এই ভিডিওটি অনেকটা ক্লোজ থেকে নেওয়া হয়েছে।  আর তাতে পরিষ্কার যে একের পর এক পাকঘাঁটি সত্যিই গুঁড়িয়ে যাচ্ছে মুহূর্তের মধ্যে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.