নয়াদিল্লি: সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সময় অমিত চতুর্বেদীর লক্ষ্য ছিল দেশের সেবা এবং বাবা-মা-এর গর্বের কারণ হয়ে ওঠা৷ এই দুই লক্ষ্যেই তিনি পৌঁছতে সফল হলেও, জন্মদিনটা পরিবারের সকলের সঙ্গে আর কাটানো হল না৷ জন্মদিনে তাঁর নিথর দেহ পৌঁছল বাড়িতে৷ বাবা-মা ছেলের কাজে কতটা গর্বিত তা আর দেখে যাওয়া হল না অমিতের৷ ৩১ মে অরুণাচল প্রদেশে ULFA বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে শহিদ হন অমিত৷ তাঁর প্রাণহীন দেহ বাড়িতে এসে পৌঁছয় ৩ জুন৷

২০১৪ সালে অমিত চতুর্বেদী ভারতীয় সেনায় যোগ দেন৷ এবং সেভেনটিনথ্ প্যারা ফিলড রেজিমেন্টে তিনি যুক্ত হন৷ গত এপ্রিলেই বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা হয়েছিল অমিতের৷ হয়ে গিয়েছিল এনগেজমেন্টও৷ বিয়ের তারিখও নির্দিষ্ট হয়ে গিয়েছিল৷ নিজের জন্মদিনে বন্ধুদের বড়সড় পার্টি দেবেন বলেও জানিয়েছিলেন৷ কিন্তু সে সব কিছুই বাকি থেকে গেল৷ মাত্র ২৬-এই সব পরিকল্পনাই ইতি টানলেন অমিত৷

যথাযোগ্য সম্মান দিয়ে ফতেহপুর সিক্রির কাছে কাগারোল গ্রামে অমিতের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়৷ তাঁর বাবা রামবীর চতুর্বেদী এক সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জানান, তিনি তাঁর ছেলের জন্য গর্বিত৷ তাঁর আরও ২ ছেলে রয়েছে৷ সুমিত এবং অরুণ৷ তাঁরাও ভারতীয় সেনাবাহিনীতেই রয়েছেন৷

শহিদ অমিত চতুর্বেদীর সম্মানে কাগারোল গ্রামবাসীরা আগ্রা প্রশাসনের কাছে একটি মূর্তি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷