নয়াদিল্লি: সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের তিন বছর পূর্তি হয়য়েছে সদ্য। পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের অশান্তি কমেনি বরং নতুন বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এবার ফের একবার সীমান্ত পার করার হুঁশিয়ারি দিলেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত।

জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার পর থেকেই নতুন করে বিরোধিতা শুরু করেছে পাকিস্তান। সীমান্তে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টাও অনেক বেড়েছে। এবার পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেন, ‘‌অনেক লুকোচুরি খেলা হয়েছে। প্রয়োজন পড়লে সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকে মারব।’‌

২৯ সেপ্টেম্বর ছিল সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের তৃতীয় বর্ষপূর্তি। সাক্ষাত্‍কারে দিতে গিয়ে জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেন, ‘‌এবার থেকে আর লুকোচুরি খেলা চলবে না। যদি দরকার পড়ে, আমরা সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে মারব। সেটা আকাশপথে হতে পারে, স্থলপথে হতে পারে কিংবা দু’ভাবেই হতে পারে।’‌

এতবড় হুঁশিয়ারি আগে পায়নি পাকিস্তান। ফলে এটা অত্যন্ত তাত্‍পর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ পাকিস্তানকেই দায়ী করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘‌ভারত সরকার জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার পর থেকেই জেহাদ ঘোষণা করেছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে ছায়াযুদ্ধ চালাচ্ছে। আমরা বেশিদিন তা বরদাস্ত করব না।’‌

এদিকে সোমবারই পূর্বতন বায়ুসেনা প্রধান বি এস ধানোয়ার জায়গায় দায়িত্ব নিয়েছেন এয়ার মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভাদোরিয়া৷ দায়িত্ব নিয়েই পাকিস্তানকে তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘ভারত ফের একটা বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক চালাতে সবসময় প্রস্তুত৷’ তিনি বলেন, কোনও ভুল যেন সীমান্তের ওপার থেকে না হয়৷ তাহলে কড়া জবাবের মুখোমুখি থাকার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে৷

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এদিন নতুন বায়ুসেনা প্রধান জানান, বি এস ধানোয়া সাফল্যের সঙ্গে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক পরিচালনা করেছিলেন৷ সেইভাবেই আরও একটা এয়ারস্ট্রাইকের জন্য বায়ুসেনা সবসময় প্রস্তুত, শুধু নির্দেশ পাওয়ার অপেক্ষা রয়েছে৷ যে কোনও চ্যালেঞ্জ নিতে তৈরি ভারতীয় বায়ুসেনা৷

বালাকোটে ফের জঙ্গি ঘাঁটি সক্রিয় হয়ে উঠছে, এই তথ্য তাঁর কাছে এসেছে বলে জানিয়ে বায়ুসেনা প্রধান ভাদোরিয়া বলেন, ঠিক সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে৷ বায়ুসেনা তৈরি রয়েছে৷ জঙ্গি ঘাঁটির অতিসক্রিয়তা কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না ভারত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I