নয়াদিল্লি : ভারত চিন সীমান্ত উত্তপ্ত। দেশের বেশ কয়েকটি প্রান্ত জুড়েই ঠান্ডা লড়াই চলছে। হিন্দুস্তান টাইমসের এক রিপোর্ট বলছে উত্তরাখন্ডের লিপু লেখ, উত্তর সিকিমের বেশ কিছু সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা, অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে চিন।

সেই পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে এবার অরুণাচল প্রদেশ সফরে ভারতের সেনা প্রধান এম এম নারাভানে। বৃহস্পতিবার সেনাপ্রধান অসমের তেজপুরে পৌঁছন। দু দিনের সফরে তিনি ঘুরে দেখবেন দেশের উত্তরপূর্ব প্রান্তের সীমান্ত পরিস্থিতি। তেজপুরে গজরাজ কর্পসের সদর দফতরে তাঁকে স্বাগত জানান লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল চৌহান। ছিলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ, ইস্টার্ন কমান্ড।

সূত্রের খবর উত্তরাখন্ডের কাছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন লিপুলেখ এলাকায় টহল দিয়েছে চিনা সেনা। সেখানে নাকি সেনা সংখ্যা বৃদ্ধি করছে বেজিং।

একদিকে যখন চিন একাধিক বার ভারতের সঙ্গে বৈঠকে বসছে, তখন নতুন করে সীমান্তে চিনা সেনার আনাগোনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। চিনের এই দ্বৈত মনোভাবের কড়া সমালোচনা করেছে নয়াদিল্লি। একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট বলছে উত্তরাখণ্ডের ওই এলাকায় সেনা মোতায়েন করেছে বেজিং।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে পরপর বৈঠকের বকলমে চিন ভারতের সময় নষ্ট করছে। সেই সুযোগে সীমান্তে সেনা সাজাচ্ছে বেজিং।

এদিকে, উত্তেজনা বাড়ছে অরুণাচল সীমান্তে। ফলে সেনা প্রধানের এই সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন উদ্দ্যেশ্যপ্রমোদিত ভাবেই এই ধরণের একরোখা মনোভাব নিয়ে বৈঠকে বসছে চিন। এর জেরে তারা বুঝিয়ে দিতে চাইছে প্যাংগং লেক থেকে কোনওভাবেই সেনা সরাবে না তাঁরা।

তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী পঞ্চম দফার বৈঠকেও একই ছবি ছিল। এই বৈঠকেও প্যাংগং নিয়ে কথা বলতে রাজি হচ্ছে না বেজিং। ভারতীয় সেনার লেহ কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরিন্দর সিং ও চিনের তরফে মেজর জেনারেল লিন লিউ বৈঠকে বসেন।

দু তরফে মৌখিক সৌজন্য বিনিময় হলেও, কোনও উপহার আদান প্রদান হয়নি। তার প্রথম কারণ করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা। দ্বিতীয়ত ভারত ও চিনের মধ্যে গত ৯০ দিন ধরে চলা সংঘাতের জের।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা