ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : মাছের ভেড়ির আড়ালে চলছিল বেআইনি অস্ত্র কারখানা। গ্রেফতার বিহারের দুই বাসিন্দা। কলকাতা পুলিশের অ্যান্টি রাউডি স্কোয়াড ও মিনাখাঁ থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র।

পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায়, বিহার থেকে এসে এই রাজ্যে ঘাঁটি গেড়ে বসে আছে দুষ্কৃতীরা। মাছের ভেড়ির আড়ালে চলছে তাদের বেআইনি অস্ত্র কারখানা। খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশের অ্যান্টি রাউডি স্কোয়াড ও মিনাখাঁ থানার পুলিশ যৌথ অভিযানে নামে। উত্তর ২৪ পরগণা মিনাখাঁর ওই অস্ত্র কারখানা থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও সাতটি অসমাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়া আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির প্রচুর সরঞ্জাম ও মেশিন।

গ্রেফতার করা হয় বিহারের মুঙ্গের এর দুই বাসিন্দাকে। ধৃতদের নাম মোহাম্মদ সামশের আলম ও মোহাম্মদ ফিরোজ।

বেআইনি অস্ত্র কারখানাটি ছিল উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ থানার চৈতল ৪ নম্বর গ্রামের। মিনাখাঁর চৈতল ৪ নম্বর গ্রামে। সেখানে অহিদ গাজী নামে এক ব্যক্তির মাছের ভেড়ির আড়ালে চলছিল ওই অস্ত্র কারখানা।পুলিশি অভিযানের আগেই সপরিবারে অহিদ গাজী পালিয়ে গিয়েছে৷ তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ৷ যদিও ধৃতদেরকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তাদের কাছ থেকে পুলিশ জানার চেষ্টা করছে, এই অস্ত্র কারখানা থেকে অস্ত্র কোথায় কোথায় পাচার করা হত। এবং কী উদ্দেশ্যে পাচার করা হতো। অস্ত্র কারখানা সঙ্গে আর কে কে জড়িত রয়েছে। এদের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য অস্ত্র কারবারি কারও যোগাযোগ রয়েছে কিনা?

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।