মস্কো: সিরিয়া আর লিবিয়া থেকে সন্ত্রাসবাদী পাঠাচ্ছে তুরস্ক। এমনই অভিযোগ আনল রাশিয়া। নাগরন-কারাবাখ এলাকায় টেররিস্ট পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওই এলাকাতেই গত চারদিন ধরে কার্যত যুদ্ধ চলছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের।

রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছে, সিরিয়া ও লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে সশস্ত্র কিছু লোকজনকে ওখানে পাঠানো হয়েছে। তুরস্ক আজারবাইজানকে সমর্থন করার জন্যই এই জঙ্গিদের পাঠাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। যদিই এই বিষয়টা অস্বীকার করেছে তুরস্ক ও আজারবাইজান।

আরও পড়ুন: প্রতিবেশী আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার সংঘর্ষে মর্টার এসে পড়েছে ইরানে

এদিকে, বুধবার ভাঙা SU-25 যুদ্ধবিমানের অংশ দেখিয়েছে আর্মেনিয়া। তুরস্কের F-16 -ই এই বিমান ভাঙার জন্য দায়ী বলে অভিযোগ।

সংঘর্যের চতুর্থ দিনে আজারবাইজানের দাবি, তারা বিপক্ষের ২৬০০ সেনাকে নিরস্ত্র করেছে। ১৯৯৪ সালের যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথমবার এভাবে দু’পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিশ্বে সামরিক শক্তির তালিকা প্রকাশ করে গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার। তাদের হিসেহে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের সামরিক পরিসংখ্যান এসেছে।

গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের ২০২০ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক শক্তিতে ১৩৮টি দেশের মধ্যে আজারবাইজানের অবস্থান ৬৪তম। আর্মেনিয়ার অবস্থান ১১১ তম।

আরও পড়ুন: ইরাকে মার্কিন বিরোধী রকেট হামলা, মৃত কমপক্ষে ৫

সংঘর্ষ শুরু থেকেই আর্মেনিয়ার হামলা প্রবলতর হয়। প্রতি আক্রমণে যায় আজারবাইজান। সোমবার আর্মেনিয়া দাবি করেছে, তাদের অন্তত ৮৪ জন সেনা সংঘর্ষে মৃত। আজারবাইজানের দাবি বহু অসামরিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

অবলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। ১৯৯০ সালে সোভিয়েত পতনের পর দুটি দেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করে। এর পরেই তাদের সীমান্তে মিশে থাকা নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল দখল নিয়ে বিরোধ ক্রমে রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

সংঘর্ষ শুরুর পর থেকেই দুই দেশকে সতর্ক করেছে রাশিয়া। চিন্তিত রাষ্ট্রসংঘ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।