নয়াদিল্লি: দুরন্ত এক্সপ্রেসে ভয়াবহ ডাকাতি৷ অস্ত্র দেখিয়ে যাত্রীদের টাকা, গয়না ও মোবাইল লুঠ করা হল৷ বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ঘটনা৷ ডাকাতির ঘটনায় দুরন্ত এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রেল ও দিল্লি পুলিশ৷

জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ট্রেনের এক যাত্রী অশ্বিনী কুমার রেলের পোর্টালে ডাকাতির অভিযোগ দায়ের করেন৷ অভিযোগে তিনি জানান, জম্মু-দিল্লি দুরন্ত এক্সপ্রেসের বি৩ ও বি৭ কোচে হানা দেয় সাত থেকে দশ জনের একটি ডাকাত দল৷ তাদের অধিকাংশের হাতে ছিল বন্দুক ও ধারালো জাতীয় অস্ত্র৷ বন্দুকের ভয় দেখিয়ে দুটি কোচে অবাধে লুঠপাত চালায় ডাকাতেরা৷ যাত্রীদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় টাকা, গয়নাস মোবাইল, ল্যাপটপ সহ মূল্যবান নানা জিনিস৷ মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে গোটা অপারেশন শেষ করে পালিয়ে যায় ডাকাত দলটি৷

ডাকাতির সময় ট্রেনে কোনও রেলকর্মী বা নিরাপত্তা কর্মীর দেখা মেলেনি বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা৷ যখন লুঠপাত করে ডাকাতদল বিনা বাধায় পালিয়ে যাওয়ার কুড়ি মিনিট পর টিটির দেখা পান তারা৷ স্বভাবতই তাঁর কাছে যাবতীয় ক্ষোভ উগরে দেন যাত্রীরা৷ টিটির দেখা না মেলায় দিল্লি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে এফআইআর দায়ের করেন যাত্রীদের একাংশ৷ অভিযোগে তারা জানান, ভোর তিনটে নাগাদ ডাকাতির ঘটনা ঘটে৷ সেই সময় ১২২৬৬ ট্রেনটি দিল্লি স্টেশনের দিকে রওনা দিচ্ছিল৷ কিন্তু সাড়ে তিনটে নাগাদ সিগন্যালিংয়েরজন্য কিছুক্ষণের জন্য দাঁড়ায়৷ সেই সময় দুটি কামরায় হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ে ডাকাত দলটি৷

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ডাকাতির ঘটনা উল্লেখ করে রেলের নিরাপত্তা নিয়ে যাবতীয় ক্ষোভ উগড়ে দেন যাত্রীরা৷ লেখেন, এসি কোচের নিরাপত্তার এই যদি অবস্থা হয় তাহলে স্লিপার ও জেনারেল ক্লাসের কী অবস্থা তা বলার উল্লেখ রাখে না৷ তবে যাত্রীদের ক্ষোভকে প্রশমিত করতে রেলের চিফ পাবলিক রিলেশন অফিসার জানান, আরপিএফ প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে৷ বেশ কিছু সূত্র পাওয়া গিয়েছে৷ ডাকাত দলকে খুব তাড়াতাড়ি ধরা হবে৷

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব