V Chandrasekhar

চেন্নাই: দেশজুড়ে মারণ ভাইরাসের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি। দিনে দিনে রেকর্ড হারে মানুষজন করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। থেমে নেই মৃতের সংখ্যাও। চারিদিকে স্বজন হারানোর কান্না। এহেন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি একের পর এক করোনার বলি হচ্ছেন দেশের বিভিন্ন মহলের তারকারা। যাঁদের শূন্যতা ছাপ ফেলে যাচ্ছে দেশের ইতিহাসে। এবার সেই মারণ ভাইরাসের কবলে এসে প্রাণ হারালেন প্রাক্তন জাতীয় টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়ন এবং কোচ বেণুগোপাল চন্দ্রশেখর (V Chandrasekhar)।

ক্রীড়াজগতে বেণুগোপাল পরিচিত ছিলেন ‘চন্দ্র’ নামে। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগতে থাকা এই প্রবীণ টেবিল টেনিস (Table Tennis) খেলোয়াড়ের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। ১৯৮০-র দশকের এই তারকা রেখে গেলেন স্ত্রী-ছেলেকে। তিন বার জাতীয় প্রতিযোগিতায় বিজেতা ও কমনওয়েলথ গেমসের সেমিফাইনালে ওঠা এই প্রবীণ খেলোয়াড় পেয়েছেন অর্জুন পুরস্কারও (Arjuna Award)। সেসময় আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।

‘চন্দ্র’ একবার হাঁটুর সমস্যার কারণে অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন। সে সময় ভুল চিকিৎসার কারণে তিনি কথা বলার ক্ষমতা হারিয়েছিলেন। ক্ষয় হয়েছিল দৃষ্টিশক্তিও। তদুপরি টেনিসের প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তির বলে তিনি চালিয়ে গিয়েছেন কোচিং। উল্লেখযোগ্যভাবে তাঁর কোচিং সেন্টার থেকেই উঠে এসেছে জি সাথিয়ান ও আর এস রাজা মতো এখনকার একাধিক টেবল টেনিস তারকা। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত ক্রীড়া মহল।

প্রসঙ্গত, মারণ ভাইরাস করোনা (Corona) যেভাবে তার তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে আতঙ্কের প্রহর গুনছে গোটা দেশ।বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪২১ জন। মঙ্গলবারের তুলনায় বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। মঙ্গলবার ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৪২ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। এদিন ফের মৃত্যুর সংখ্যা ৪ হাজারের গণ্ডি টপকালো।

মঙ্গলবার যেখানে ৩ হাজার ৮৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেখানে বুধবার ৪ হাজার ২০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। কমেছে দৈনিক সুস্থতার হারও। মঙ্গলবার ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.