ফাইল চিত্র৷

বারাকপুর: টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লার খুনের ঘটনায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। টুইটে বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ লিখেছেন, ‘‘ছোট ভাইয়ের মতো ছিলেন মণীশ শুক্লা। তৃণমূল ও পুলিশকে তাদের কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে।’’

রবিবার ভর সন্ধেয় টিটাগড়ে শ্যুটআউট। পয়েন্ট রেঞ্জ থেকে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে একের পর এক গুলি। রবিবার সন্ধেয় দলীয় কার্যালয়ের সামনেই বসে ছিলেন মণীশ শুক্লা। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাইকে করে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী আসে। তাঁকে ঘিরে ধরে।

খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে অন্তত পাঁচ থেকে ছটি গুলি দুষ্কৃতীরা চালায়। মণীশের শরীরে পাঁচ থেকে ছয়টি গুলি লাগে। দ্রুত ওই বিজেপি নেতাকে সঙ্কটজনক অবস্থায় কলকাতার বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান তিনি।

ঘটনার পরেই বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং অভিযোগ তোলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। পরে টুইটেও অর্জুন সিং লেখেন, ‘‘আমার ছোট ভাইয়ের মতো ছিল মণীশ। আমাকে আড়াল করে রাখতো। বারাকপুর ও বাংলা ওঁর আত্মত্যাগ ভুলবে না। তৃণমূল ও পুলিশকে তাদের কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে।’’

অন্যদিকে, আজ সোমবার টিটাগড় যেতে পারে বিজেপির কেন্দ্রীয় একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে মুকুল রায়, কৈলাশ বিজয়বর্গীয় সহ একাধিক বিজেপি নেতা থাকতে পারেন।

টিটাগড়ে বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সোমবার সকালে রাজভবনে তিনি ডেকে পাঠিয়েছেন ডিজি ও অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারিকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।