প্রতীতি ঘোষ, ব্যারাকপুর: অনুপম হাজরা, দিলীপ ঘোষের পর মুখ্যমন্ত্রীকে লকডাউন নিয়ে কড়া সমালোচনা করলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর দাবি, নিয়ম মানছেন না মুখ্যমন্ত্রী। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় মেঘনামোড়ে নিজের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে একথা বলেন সাংসদ অর্জুন সিং ।

বিজেপি সাংসদের অভিযোগ, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী লকডাউন মানছেন না । যে ভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০০ জন পুলিশ কর্মী সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন বাজারে, রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাতে তিনি নিজেই বিতর্ক তৈরি করছেন । মুখ্যমন্ত্রীর কাজ প্রশাসন সামলানো । তিনি বলেন,” আমরা দেখছি আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাজারে ঘুরছেন, দণ্ডি কাটছেন, রাস্তার দরিদ্র মানুষকে খাবারের প্যাকেট তুলে দিচ্ছেন তাতে লকডাউনের যে নিয়ম রয়েছে, সেই নিয়ম লঙ্ঘিত হচ্ছে ।”

অর্জুন সিং প্রশ্ন তুলেছেন, “যিনি প্রশাসনিক প্রধান হবেন তিনি নিজেই যদি লকডাউন না মেনে রাস্তায়, বাজারে ঘুরে বেড়ান তবে সাধারন মানুষ কি শিখবে ? উনি যেখানে যাচ্ছেন, উনাকে দেখার জন্য ১০০ মানুষ ভিড় করছে । এটা কি লকডাউন মানা হচ্ছে ? লকডাউন মানে লকডাউন । উনি যে কাজ করছেন, সেই কাজ সঠিক ভাবে পালন করার জন্য প্রশাসন আছে ।”

দিল্লির উদাহরণ টেনে অর্জিন সিং-এর বক্তব্য, “আমি দেখলাম দিল্লির সরকার মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে । মানুষকে ঘর থেকে বেরোতে হচ্ছে না । সেটা সঠিক পদক্ষেপ । আমি ও লকডাউন মানছি । নিজের বাড়িতেই আছি । গরীব মানুষকে খাবারের ব্যবস্থা করেছি । কিছু মানুষ আমার বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে গেল । বাকিদের খাবার আমি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীদের মাধ্যমে গরীব মানুষের বাড়িতে পাঠাচ্ছি ।”

অর্জুন বাবু এদিন আরও বলেন, “রাজ্যের পুলিশকে সংযত হতে হবে । কেন লাঠিচার্জ করবে ? মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিলে মানুষকে খাবারের জোগাড় করতে বাইরে বেরতে হয় না । সরকারের উচিত সেই ব্যবস্থা করা । আমাদের মত দেশে করোনা যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে মানুষকে যেমন সচেতন হতে হবে, তেমনি প্রশাসনকেও দ্বায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।