বারাকপুর: ”২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময় থেকে মানুষ স্থির করে নিয়েছেন বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের মানুষ তৃণমূলকে আর কোনও সিট এই অঞ্চল থেকে জিততে দেবে না। পুলিশ বা গুন্ডা বাহিনী দিয়ে যত অত্যাচার করুক, বারাকপুরের মানুষ আর তৃণমূলের সঙ্গে নেই ।”

বুধবার বারাকপুরের থেকে পরিবর্তনের রথযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শ্যামনগর বাসুদেবপুর মোড়ে প্রকাশ্য সভায় দাঁড়িয়ে এই মন্তব্য করেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর দাবি, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে একটিও আসন তৃণমূল জিতবে না৷

মঙ্গলবার রাতে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছে বিজেপির রথ। বুধবার সকালে নোয়াপাড়া বিধানসভার উপর দিয়ে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে প্রবেশ করে বিজেপির রথযাত্রা। এদিনের রথযাত্রায় রথে উপস্থিত ছিলেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক সুনীল সিং, বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য্য সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা।

এদিন বিজেপি এই রথযাত্রার রথ বারাকপুর কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে জগদ্দল, নৈহাটি, ভাটপাড়া বিধানসভা অতিক্রম করে বীজপুরে প্রবেশ করে। এদিন ব্যারাকপুর কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের কয়রাপুর খালে জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে অভিনব কর্মসূচি পালন করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতীক সম্বলিত পুতুলকে বিজেপির পক্ষ থেকে কয়রাপুর খালে বিসর্জন দিয়ে সেই খাল থেকে প্রতীকী পদ্ম ফোটান বিজেপি কর্মীরা । এদিন বারাকপুর কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের জগদ্দলের বাসুদেবপুর মোড়ে বিজেপির রথ প্রবেশ করে। সেখানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং।

নিজের বক্তব্যে সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, “আমি দার্জিলিঙের মানুষের উৎসাহ দেখেছি, ওখানকার মানুষ বিজেপির সঙ্গেই আছেন। এই শিল্পাঞ্চলের মানুষও মনস্থির করে নিয়েছে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত যে ৭ টি বিধানসভা আসন রয়েছে, তার একটিও এবার তৃণমূল কংগ্রেস পাবে না। সবাই ভাবে দার্জিলিং মানে বিমল গুরুং, কিন্তু না আমি ওখানে আন্ডার কারেন্ট দেখেছি, সেখানে বিজেপির প্রতি মানুষের যে আবেগ দেখেছি, এখানেও তাই দেখছি। পরিবর্তনের রথ যাত্রা এভাবেই এগিয়ে যাবে। বাংলায় তৃণমূলের অপশাসন মুক্ত বিজেপির সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।