স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: JEE-NEET পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব বিজেপির। হুগলির চণ্ডীতলার জমায়েত দাঁড়িয়ে কথা দিলেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং।

জনাইয়ের এক সভায় তিনি বলেন, “ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবেতেই বিরোধিতা। সুপ্রিম কোর্ট কিছু বললে মানব না, হাইকোর্ট কিছু বললে মানব না। আরে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার গাড়ির ব্যবস্থা করুক, তা না হলে বিজেপি এই দায়িত্ব নিচ্ছে। সব পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেব আমরা।”

উল্লেখ্য, করোনার কারণে এপ্রিল থেকে একাধিকবার পিছোনোর পর সেপ্টেম্বরের শুরুতে সারা দেশে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়ার দিন ধার্য হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে স্বাস্থ‌্যবিধি মেনে নানা পদক্ষেপের কথা ঘোষণাও করা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

করোনা আবহে JEE এবং NEET পিছনোর দাবিতে সরব হয়েছে তৃণমূল। গত বুধবার বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। এই ইস্যুতে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদও।

প্রসঙ্গত, তবে শুধু JEE এবং NEET নয়, সেপ্টেম্বরে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাও নেওয়া হবে না, সেকথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের ভার্চুয়াল সভামঞ্চ থেকে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চুড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নিয়ে তিনি বলেন, তবে শীর্ষ আদালত যখন বলেছে পরীক্ষা নিতেই হবে ৷

পুজোর আগে কীভাবে পরীক্ষা নেওয়া যায় দেখতে হবে৷ অনলাইন বা অফলাইনে পরীক্ষা নেওয়া হবে তা আলোচনা করে দেখুক কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়৷ সেইসঙ্গে ইউজিসি-র বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷

এদিকে, এদিন অর্জুন সিংয়ের একটি মিছিলে পুলিশের বাধা ঘিরে করে অশান্তি বাঁধে। পুলিশের অভিযোগ, দুর্গানগরের ওই এলাকায় অর্জুন সিংয়ের মিছিলে যোগ দিতে প্রায় হাজার দুয়েক মানুষ ভিড় করেছিলেন। অনেকের মুখেই ছিল না মাস্ক।

সামাজিক দূরত্ববিধি বজায় ছিল না। ফলে মিছিল শুরুর আগেই আটকে দেয় পুলিশ। বারাকপুরের সাংসদের অভিযোগ, এভাবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপির কর্মসূচিতেই বেছে বেছে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I