স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: এর আগে দু-দু’বার সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে তল্লাশিতে চালাতে গিয়ে ফিরে আসতে হয়েছিল পুলিশকে। এবার আদালতের সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়েই তাঁর বাড়িতে হাজির হলেন তদন্তকারী অফিসাররা। ভাটপাড়া সমবার ব্যাংক ও ভাটপাড়া পুরসভায় আর্থিক দুর্নীতি মামলায় বুধবার অর্জুন সিং-এর বাড়িতে ফের হানা দিল পুলিশ।

একই সঙ্গে অর্জুনের ভাইপো পাপ্পু সিং-এর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট পদমর্যাদার এক অফিসারের উপস্থিতিতে এদিন তল্লাশি চালানো হচ্ছে সাংসদের বাড়িতে। সেখানে হাজির ছিলেন সাংসদের আইনজীবীরাও। অভিযোগ, ভাটপাড়া পুরসভা ও ভাটপাড়া সমবায় ব্যাংকের থেকে অর্জুন সিং-এর নানা আত্মীয়ের অ্যাকাউন্টে ও বিভিন্ন কোম্পানিতে ১০০ কোটির বেশি টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে।

এই মামলার তদন্তেই এদিন বেলা একটা নাগাদ অর্জুন সিং-এর মজদুর ভবনে হানা দেয় বারাকপুরের এসিপি অজয় ঠাকুরের নেতৃত্বে বিরাট বাহিনী। সেই দলে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের একাধিক পুলিশকর্তা ছিলেন। হাইকোর্টের নির্দেশেই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

তবে অর্জুনের অভিযোগ, কোনও রকম কাগজপত্র ছাড়াই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, বাড়ির তালা ভাঙা হয়। তবে এদিন তল্লাশিতে কিছুই উদ্ধার হয়নি বলে জানা গিয়েছে। গত কয়েকমাস ধরে বারাকপুরের বিজেপি সাংসদের সঙ্গে পুলিশের টানাপোড়েন চলছেই।

কখনও কো-অপরেটিভ ব্যাংকের দুর্নীতি মামলায় সাংসদের ভাইপোকে নোটিশ ধরাচ্ছে পুলিশ। কখনও আবার দেখা গিয়েছে সাংসদের কনভয় থামিয়ে তাঁর এক অনুগামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার একেবারে সার্চ ওয়ারেন্ট সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় সাংসদের বাড়িতে ঢুকল পুলিশ।

এপ্রসঙ্গে অর্জুন সিং বলেন, “পুলিশ আমার ভাইপো পাপ্পু সিংয়ের বাড়ি তল্লাশি চালাতে এসেছিল কিন্তু তাদের কাছে ওর বাড়ি তল্লাশি করবার কোন উপযুক্ত আইনি নোটিশ বা যথাযথ কাগজ ছিল না। আমার ওই আত্মীয় প্রায় দুই মাস ধরে দেশের বাড়ি গেছে। ওদের ওই ঘর তালা বন্ধ।

কিন্তু তা সত্বেও পুলিশ তালা খুলে এই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে।কিন্তু তল্লাশিতে কিছুই পায়নি পুলিশ। এই বাড়ি বা ঘর তল্লাশি করবার কোন বৈধ কাগজ পুলিশের কাছে ছিল না। পুলিশ যে ভাবে আইন ভেঙে তল্লাশি করছে, আমার বাড়িতে ঢুকে হেনস্থা করেছে। আমি এই পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব। “

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I