প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর: শনিবার বিজেপির মিছিল ঘিরে যে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল তার রেশ জারি রয়েছে রবিবারও। শনিবারের উত্তেজনার জেরে রবিবারও কার্যত থমথমে ছিল গোটা ভাটপাড়া এলাকা। এদিকে শনিবার গভীর রাতে ভাটপাড়ার আটচালা এলাকায় বিজেপির জেলা কার্যালয়ে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। এমনটাই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। বিজেপির ওই কার্যালয় লক্ষ করে পরপর ৬ টি বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ।

এদিকে রবিবার সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে লকডাউন ভেঙে মিছিল বের করার অভিযোগ দায়ের করেছে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। শনিবার বিজেপির মিছিল রাস্তাতেই আটকে দেয় পুলিশ। এই মিছিল ঘিরে তুমুল অশান্তি শুরু হয় ভাটপাড়া এলাকায়। পুলিশ আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, শনিবারের বিজেপির মিছিলের কোনও অনুমতি পুলিশ দেয়নি।

শনিবার বিকেলে বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বিশাল মিছিলের ডাক দেয়। সেই মিছিল আইন বিরুদ্ধ বলে অভিযোগ দায়ের করা হয় বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এর বিরুদ্ধে। ভাটপাড়ায় বিজেপি কার্যালয়ে পরপর বোমাবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ভাটপাড়া এলাকায়।

সাংসদ অর্জুন সিং অভিযোগ করে বলেন, “তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই বোমাবাজি করেছে। রাতে ওই দলীয় কার্যালয়ে কেউ না থাকায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি । কালাবাবু নামে এক দুষ্কৃতীকে দিয়ে তৃণমূল ও পুলিশ মিলিত হয়ে এই হামলা ও আক্রমন করাচ্ছে। আমরা গোটা বিষয়টি দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছি।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে গভীর রাতে জগদ্দলের আটচালা এলাকায় বিজেপির ওই দলীয় কার্যালয়ে দুষ্কৃতীরা ৬ টি বোমা মেরেছে।

গোটা ঘটনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভাটপাড়া এলাকার তৃণমূল নেতা সোমনাথ শ্যাম। তিনি বলেন, “এই বোমাবাজির ঘটনায় তৃণমূল জড়িত নয়। ওদের নিজেদের মধ্যে দলীয় কোন্দলের ফলে এরকম কিছু ঘটতে পারে । তৃণমূল কংগ্রেস হিংসার রাজনীতি করে না । আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে অর্জুন সিং।”

অর্জুন সিং লকডাউন ভেঙে মিছিল করায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের পক্ষ থেকে।

এই বিষয়ে সাংসদ অর্জুন সিং আরও বলেন, “আমি যখন তৃণমূলে ছিলাম তখন ধোয়া তুলসি পাতা ছিলাম, এখন বিজেপিতে এসেই দোষী হয়ে গেছি। এর আগে আমার বিরুদ্ধে ৮৮ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, এটা নতুন সংযোজন করা হল। তৃণমূল মিছিল করলে অনুমতি দেয় পুলিশ, আমরা করলেই যত দোষ, আইন ভাঙ্গা সামনে আসে । করুক মামলা । আমি অপেক্ষা করছি কবে আমার বিরুদ্ধে ১০০ টি মামলা পূর্ণ হবে ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।