প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : ফের উত্তপ্ত বারাকপুর-টিটাগড়। অর্জুন ঘনিষ্ঠ বিজেপির দাপুটে নেতা তথা আইনজীবী মনীশ শুক্লার খুনের ঘটনায় রবিবার রাত থেকেই থমথমে অবস্থা শিল্পাঞ্চলের। বিজেপির এই দাপুটে নেতাকে খুনের ঘটনায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। এদিন টুইটে বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ লিখেছেন, ‘‘ছোট ভাইয়ের মতো ছিলেন মণীশ শুক্লা। তৃণমূল ও পুলিশকে তাদের কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে।’’

বিস্ফোরক অভিযোগে তিনি বলেন, “মনীশ শুক্লাকে খুন করিয়েছে পুলিশই। এই খুনের ঘটনায় পুলিশের অস্ত্রই ব্যবহার করা হয়েছে।”

সোমবার সকালে বিজেপির সাংসদ অর্জুন সিং দাবি করে বলেন “মণীশ শুক্লাকে পুলিশ প্ল্যান করে খুন করেছে। এই খুনে সামান্য কোনও অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। এই অস্ত্র বারাকপুর লাটবাগানের পুলিশ ট্রেনিং কলেজ থেকে বেরিয়েছিল। আর যে বুলেট ব্যবহার করা হয়েছে তাও পুলিশের থেকেই এসেছে।”

প্রসঙ্গত, রবিবার রাতে অর্জুন সিং ঘনিষ্ট বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয়। এই খুনের ঘটনা নিয়েই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন সাংসদ অর্জুন সিং।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন “এটি একটি রাজনৈতিক হত্যার ঘটনা। এই খুনের ঘটনাটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলি হেলনেই বারাকপুর পুলিশ এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা এই ঘটনায় সিবিআই র তদন্তের দাবি করছি।সিবিআই তদন্ত ছাড়া এই খুনের আসল খুনিদের গ্রেফতার করা যাবে না।”

তিনি এদিন বলেন “মণীশ শুক্লা রবিবার আমার সঙ্গেই ছিল। আমরা গতকাল একসঙ্গে বাউড়িয়া গিয়েছিলাম। আমি কলকাতা চলে গেলাম আর মনীশ বাড়ি ফিরে গেল। ওর সঙ্গে কোনও নিরাপত্তা রক্ষীও ছিল না। কাল আমরা একসাথে ফিরলে হয়তো আমরা দুজনে এক সাথে মারা যেতাম। তবে এই বারাকপুরে তো রক্ষকই এখন ভক্ষক হয়ে গিয়েছে । দিল্লি থেকে পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা আসবেন এখানে তাঁরা ফিরে গিয়ে তাদের রিপোর্ট দেবেন। আমরা চাই পুলিশ এই কাজ করেছে তাই পুলিশ কোনও সঠিক তদন্ত করবে না। তাই সিবিআই তদন্তের দাবি করছি আমরা। আর পুলিশ এই ঘটনা জড়িত বলেই থানার সামনে ঘটনা ঘটলো আর থানার সিসি টিভি ক্যামেরা গুলো সব খারাপ হয়ে গেল ?এট মানা কি সম্ভব?”

পাশাপাশি অর্জুন সিং জানান, দল মণীশ শুক্লার পরিবারের পাশে আছে। রবিবারের এই খুনের ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকে বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার অবরোধ বারাকপুরে বন্ধ শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত বিজেপির ডাকা বারাকপুরে বন্ধ শান্তি পূর্ন ভাবেই চলছে।দোকান পাঠ ,বাজার বন্ধ রয়েছে। এলাকায় চলছে পুলিশি টহল। এই খুনের ঘটনার পর থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে গোটা বারাকপুর জুড়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।