নয়াদিল্লি:  বিজেপিতে পা বাড়িয়ে ভাটপাড়ার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অর্জুন সিং? ঘাসফুল শিবির ছেড়ে আজই একঝাঁক তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিয়ে তিনি যোগ দেবেন গেরুয়া শিবিরে? ভাটপাড়ার দাপুটে এই তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে শুরু হয়েছে ইত্যাদি নানা জল্পনা৷ এই জল্পনা আরও বাড়িয়ে তুলেছেন অর্জুন সিং নিজে৷ সূত্রের খবর, বুধবার রাতে তিনি দিল্লি উড়ে যান৷ তাঁর এই দিল্লি সফর নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রশ্ন৷ সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে তিনি গেরুয়া নামাবলী গায়ে জড়াবেন৷

অর্জুন সিং দল ছাড়লে তার প্রভাব পড়বে নৈহাটি, হালিশহর, ভাটপাড়া ও বারাকপুর পুরসভাগুলিতে৷ কারণ তাঁর সঙ্গে রয়েছেন প্রায় পঞ্চাশ জন তৃণমূল কাউন্সিলরের সমর্থন৷ অর্জুন বিজেপিতে যোগ দিলে তারাও যে শিবির বদলাবেন তা বলাই বাহুল্য৷ অর্থাৎ লোকসভা ভোটের মুখে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলকে জোর ধাক্কা দিতে চলেছে বিজেপি৷ অর্জুন সিংকে বিজেপিতে টেনে আনার নেপথ্য কাণ্ডারি মুকুল রায়৷ যদিও অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে মুকুলের রায়ের যে আদায়-কাঁচকলা সম্পর্ক তা সবার জানা। বিশেষত যখন মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন সেই সময় অর্জুন সিং প্রাক্তন তৃণমূলের চাণক্যকে নানাভাবে অপমান করেছেন। এমনকি বহুবার গদ্দার বলেও মুকুলকে আখ্যা দিয়েছেন অর্জুন।

কিন্তু আজ সব অতীত। তাই সব ভুলে ‘ভাই’ অর্জুনকে বিজেপিতে নিয়ে আসতে কিছুটা এগিয়েই গিয়েছেন ‘দাদা’ মুকুল। বিজেপিতে যাওয়া সেই মুকুলের সঙ্গে বুধবার তাঁর টেলিফোনে দীর্ঘ কথা হয়। ইতিমধ্যে সেই ফোনের কথপকথন এসেছে সংবাদমাধ্যমের কাছে। যদিও সেই অডিও টেপের সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

জানা যাচ্ছে মুকুল রায়কে ফোন করে ছিলেন অর্জুন সিং নিজেই। প্রায় কয়েক ঘন্টা দুজনের মধ্যে আলোচনা হয় বলে জানা যাচ্ছে। এরপরেই অর্জুন দিল্লি উড়ে যান বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্যম এমনটা যে হতে চলেছে তেমন ইঙ্গিত তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল। তাই মমতার কাছে যাওয়ার পরে তিনি সরাসরি অর্জুনকেও ক্ষোভের সঙ্গে বলে দেন, ‘‘তোকে মুক্ত করে দিলাম।’’

এরপরে ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে অর্জুন দু’এক মিনিট কথা বলেন। কিন্তু নিজের অবস্থান থেকে সরেননি। সেখান থেকে ফিরিয়ে মুকুল রায়ের সঙ্গে আলোচনা। তারপরেই দিল্লি যাত্রা। সংবাদমাধ্যম এএনআই জানাচ্ছে আজ বৃহস্পতিবারই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন ভাটপাড়ার তৃণমূলের এই বিধায়ক।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।