শীত পড়তে না পড়তেই মুক্তি পেয়েছিল তাঁর ‘হর হর ব্যোমকেশ’। সাফল্যের মিঠে ওমেই যেন তাই মোড়া এবারের শীত৷ সেইসঙ্গে  পিঠেপুলি, নলেন গুড় আর বিফ খাওয়ার মজা তো আছেই। আলাপে অরিন্দম শীল৷ সঙ্গী রাকেশ নস্কর

শীতের মরশুম কতটা ভাল লাগে?

অরিন্দম শীল:  শুধু ভাল লাগে নয়, এটা আমার সবচেয়ে প্রিয় মরশুম। সবচেয়ে ভালো বিষয় ‘হর হর ব্যোমকেশ’ এই সময় রিলিজ করেছে এবং খুব ভালোভাবেই চলছে।  এতে এবারে শীতটা আরও স্পেশাল বলা যায়৷

 শীত মানে তো নানারকমের খাওয়া দাওয়া৷ সেদিকে তোমার ঝোঁক কতখানি?

অরিন্দম শীল:   কড়াইশুঁটির কচুরি আর নলেন গুড়- এই দুটোর দিকে তাকিয়ে থাকি এই সময়। খাওয়া দাওয়া অবশ্যই বেড়ে যায় এই সময়টায়। আরেকটা খাবার যেটা  এ সময় বেশ জমিয়ে খাওয়া হয়, তা হল  ‘বিফ’। সারা ভারতবর্ষে যেখানে যাই হোক না কেন আমাদের কলকাতা জিন্দাবাদ। বিফ খাওয়া নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। সব কিছুই খাওয়া যায়। অন্তত খাওয়া দাওয়া নিয়ে রাজনৈতিক কোনও মতভেদ নেই।

 _a7867852-68df-11e5-86e2-e1a42b5fda15আগে যেমন পিঠে ছিল৷ তোমার কি মনে হয়, এই প্রজন্ম পিঠেপুলি ভুলে কেক পেস্ট্রিতে মন দিয়েছে?

অরিন্দম শীল:  আমার মনে হয় এটা ভুল ভাবনা। যার যে স্বাদ ভালো লাগে সে তাই খায়। এখনও নলেন গুড়ের সন্দেশ ভালো লাগে। বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই খায়। খাওয়া দাওয়ার রুচি একান্তই ব্যক্তিগত৷

শীত মানে তো বইমেলাও৷ পরিচালক হিসেবে আপনিও নিশ্চয়ই নতুন কাহিনির খোঁজে থাকেন? বইমেলা যেতে কতটা ভালো লাগে?

অরিন্দম শীল:  বইমেলা আর তেমন যাওয়া হয় না। তবে সারা বছর ধরে বই পড়তে থাকি ৷ এখন অবশ্য  অনলাইনে যে ডিসকাউন্টে বই পাই, তা বইমেলায় গিয়ে পাওয়া যায় না। বইমেলা একটা উৎসব বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। প্রচুর মানুষ যান। ব্যস্ততার কারণেই আর যাওয়া হয়ে ওঠে না৷ তবে কোনও বইপ্রকাশ অনুষ্ঠান বা বিশেষ কোনও কারণে ডাক পড়লে বইমেলা ঘুরে আসি।

 ‘হর হর ব্যোমকেশ’ মুক্তি পেয়ে গিয়েছে। কাজের চাপ একটু কম। তাহলে এবার শীতে ঘুরতে যাওয়ার কোনও প্ল্যান রয়েছে…?

অরিন্দম শীল:  না। পরের ছবির প্ল্যান চলছে। কাজ আর কোথায় কম! ‘শবর’ নিয়ে কাজ তো চলছে। প্রাথমিক কাজ অনেকটা এগিয়েছে৷ কাস্টিংনিয়ে এখনই কিছু বলব না৷ তবে যা বলার, কাজের কমতি নেই৷ তাই আপাতত বেড়াতে যাওয়া নয়৷