স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সজ্জন সাংসদের দলের লোকের এই কাজ? বাড়ি ভাঙা নিয়ে বিস্ফোরক লকেট চট্টোপাধ্যায়৷ অন্য দিকে তৃণমূলের পালটা, দলের বুথকর্মীদের টাকা দিতে পারেনি লকেট৷ ওরাই লকেটের বাড়ি ভেঙেছে৷ শুক্রবার ঘটনার পর লকেট বলেন, ‘‘হুগলির তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ রত্না দে নাগ একজন চিকিৎসক৷ সজ্জন মানুষ বলেই জানি৷ ১০ বছরের সাংসদ৷ এই শিখিয়েছেন নিজের দলের কর্মীদের?’’

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকালে হুগলির ব্যান্ডেলে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ভাড়া বাড়িতে তাণ্ডব চালায় একদল দুষ্কৃতী৷ লকেটের অভিযোগ, তাঁর সামনেই ঘটনাটি ঘটে৷ দুষ্কৃতীরা আলমারি থেকে আসবাব, আয়না থেকে চেয়ার সব কিছুই ভাঙতে থাকে৷ লকেটের সহকর্মীরা তাঁকে বাঁচাতে একটি ঘরে ঢুকিয়ে তালা আটকে দেন৷ তৃণমূল বুঝে গিয়েছে হুগলিতে ওদের আশা শেষ হয়ে গিয়েছে৷ জনতা তৃণমূলকে বাতিল করে দিয়েছে৷ এই ধরণের ঘটনা ঘটার একমাত্র কারণ তৃণমূলের হারার ভয়৷

আরও পড়ুন : দমদমে শমীক ভট্টাচার্যের নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর

অন্যদিকে হুগলিতে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের দাবি বিজেপি ওই বাড়িতে লোক ঢুকিয়ে ভাঙচুর করেছে৷ হুগলি কেন্দ্রে প্রার্থী লকেটকে বিজেপিতেই কেউ পছন্দ করে না৷ কারণ তিনি বহিরাগত৷ তৃণমূল কংগ্রেসের হুগলির জেলা সভাপতি তপন দাশগুপ্ত বলেন,‘‘লকেটের বুথের লোকেরা টাকা পায়নি৷ টাকা না পেয়ে ওরা লকেটের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করেছে৷ লকেট বুথের লোকেদের টাকা দিতে পারছে না৷ এতে তৃণমূল কোথা থেকে আসছে?’’

এক ধাপ এগিয়ে তপনবাবু বলেন, ‘‘হুগলিতে লকেট চট্টোপাধ্যায় প্রার্থী হওয়ার পর বিজেপির তিন-চারটে গোষ্ঠী কাজ করছে না৷ লকেট তো ইতিমধ্যেই হেরে বসে আছে৷ ওর মুখে আমাদের প্রার্থী রত্না দে নাগের সার্টিফিকেট চাই না৷ ও তো কম সে কম দু’লক্ষেরও বেশি ভোটে হারবে৷’’

আরও পড়ুন : BREAKING NEWS: লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি ভাঙচুর

অন্যদিকে, লকেটের দাবি ‘‘হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে যত ঘুরছি, দেখছি মানুষ তৃণমূলকে ধিক্কার দিচ্ছে৷ তৃণমূল বুঝতে পেরেছে হুগলিতে সময় শেষ৷ কোনও মহিলা প্রার্থীর বাড়িতে গুন্ডা ঢুকে ভাঙচুর করে তাকে ভয় দেখানো হয়েছে৷ এই ভাবে তৃণমূল এখানে তৃণমূল জিতবে ভাবছে৷ ওরা বলছে আমি বহিরাগত৷ আমার পার্টির লোক বাড়ি ভেঙেছে৷ আমি নয়, হুগলির ভোটার এই অপপ্রচার, কুৎসার জবাব দেবে৷ আমি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়েছি৷’’