বুয়েনোস আইরেজ: ডাইনোসরদের নিয়ে গবেষণা হয়েছে প্রচুর। সম্প্রতি আর্জেন্টিনায় খনন করে একটি বড়সড় ডাইনোসরের জীবাশ্ম উদ্ধার হয়েছে। মনে করা হচ্ছে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন টিটানোসর। এটি প্রায় ১৪০ মিলিয়ন পুরনো। ক্রেটাসেয়াস পিরিয়ডে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

Ninjatitan zapatai নামে এই সরীসৃপের দৈর্ঘ্য ৬৫ ফুট। ২০১৪ সালে দক্ষিণ পশ্চিম আর্জেন্টিনায় নেউকুইন এলাকায় এটি আবিষ্কার হয়। লা মাটানজা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গবেষক পাবলো গালিনা জানিয়েছেন, এই জীবাশ্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এটি টিটানোসরের নতুন এক প্রজাতি। বিশ্বের মধ্যে এই গ্রুপের এটি সবচেয়ে পুরনো জীবাশ্ম। টিটানোসরাস হল সওরপড গ্রুপের সদস্য। এই প্রজাতিরা সাধারণত গাছপালা খেত। এদের গলা ছিল অত্যন্ত লম্বা, লেজও ছিল ততটাই লম্বা। তখন বিশ্বে সবচেয়ে বড় প্রাণী ছিল এরা।

নতুন এই আবিষ্কার প্রমাণ করেছে টিটানোসরাস যত বছর আগে পৃথিবীতে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছিল আসলে তারা তারও অনেক আগে থেকেই পৃথিবীতে বিদ্যমান। ক্রেটাসেয়াস যুগেরর সূচনা থেকে এই ডাইনোসর পৃথিবীতে ছিল। যুগের শেষে এরাও পৃথিবী থেকে লুপ্ত হয়ে যায়। তাও প্রায় ৬৬ মিলিয়ন বছর আগের কথা। ১৪০ মিলিয়ন আগের যে জীবাশ্ম আবিষ্কার হয়েছে সেটি আক্ষরিক অর্থেই ভয়ানক বলে মন্তব্য করেছেন গালিনা। এই প্রাণীর নাম দেওয়া হয়েছে আর্জেন্টিনার পেলিয়ন্টোলজিস্ট সেবাস্তিয়ান এপস্টেগুইয়ার নামে। এর ডাকনাম “El Ninja”।

জুরাসিক পার্ক ছবিতে যে সব জনপ্রিয় ডাইনোসর ছিল, তারা সবাই সওরোপড প্রজাতির। এদের মধ্যে ছিল ডিপ্লোডোকস, অ্যাপাটোসরাস, ব্রঙ্কিওসরাস এবং ব্রন্টোসরাস। এই ডাইনোসররা জুরাসিক যুগে (১৫০ মিলিয়ন বছর আগে) পৃথিবীতে বাস করত। ক্রেটিসিয়াস যুগের শেষের দিকে (প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর আগে) টিটানোসররা প্রাধান্য পেয়েছিল। ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে একটি বড় গ্রহাণু ধাক্কা দেয়। তখন বেশিরভাগ অ-অ্যাভিয়ান ডাইনোসরগুলির মতো ক্রিটাসিয়াস-প্যালিওজিন প্রজাতিও পৃথিবী থেকে মুছে যায়। জানা গেছে যে টিটানোসরাস হল সওরোপডদের মধ্যে বৃহত্তম। বিলুপ্তির আগে অন্যান্য সমস্ত সওরোপডকে এরা মেরে ফেলে। ৪০ হাজার কেজি থেকে ৯০ হাজার কেজি হত এদের ওজন।

টিটানসোসারগুলি অ্যান্টার্কটিকা ব্যতীত সমস্ত মহাদেশেই পাওয়া গেছে। সর্বাধিক পরিচিত দুটি ডাইনোসর হল প্যাটাগোটিয়ান এবং আর্জেন্টিনোসর। এদের ওজন প্রায় ৭০ হাজার কেজি থেকে ৯৯ হাজার কেজি। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন নতুন জীবাশ্মের পায়ের হিউমারাস বা ফিমার হাড় ছাড়া ডাইনোসরটি কতটা বড় ছিল এবং এর কত ওজন ছিল তা নির্ধারণ করা কঠিন। তবে তাঁদের অনুমান ডাইনোসরটি আর্জেন্টিনোসর এবং প্যাটগোটিটিয়ানদের আকার এবং ওজনকেও ছাড়িয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা আরও অনুমান করেছেন যে প্রাণীটি ১২২ ফুট দীর্ঘ হতে পারে। এর ওজন হতে পারে প্রায় ৯০ হাজার কেজি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।