বুয়েনস আয়রস: কোভিড১৯-এ আক্রান্ত হলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্তিনা দলের কোচ কার্লোস বিলার্দো। সম্প্রতি করোনা পরীক্ষায় তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে। যদিও তাঁর শরীরে মারণ ভাইরাসের কোনওরকম উপসর্গ দেখা দেয়নি বলে জানিয়েছে বিলার্দোর পরিবার।

১৯৮৬ মারাদোনা সমৃদ্ধ লাতিন আমেরিকার অন্যতম ফুটবল শক্তি আর্জেন্তিনা শেষবারের মত বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে। শেষবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্তিনার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল বিলার্দোর হাতেই। ৮২ বছরের আর্জেন্তাইন কোচের পরিবার সূত্রে পাওয়া সর্বশেষ খবর অনুযায়ী বিলার্দো আপাতত স্বাভাবিক রয়েছেন। তবে কেবল করোনা নয়, নানাবিধ শারীরীক সমস্যা নিয়ে বিগত দু’বছর ধরে বুয়েনস আয়রসের একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন বিলার্দো। শরীরে নানাবিধ রোগ একসঙ্গে বাসা বাঁধার কারণেই চিন্তায় রয়েছেন চিকিৎসকেরা।

বিলার্দোর আরোগ্য কামনা করেছে তাঁর প্রাক্তন ক্লাব এস্তাদিয়ান্তেস। ১৯৬৮-৭০ আর্জেন্তিনার এই ক্লাবের হয়েই ফুটবলার হিসেবে তিনবার কোপা লিবার্তাদোরেস জিতেছিলেন বিলার্দো। তবে কোচ হিসেবে মেক্সিকোর মাটিতে ১৯৮৬ আর্জেন্তিনাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করাই এই আর্জেন্তাইনের সবচেয়ে বড় কীর্তি। ইতালিতে পরের বিশ্বকাপে তাঁর প্রশিক্ষণেই ফাইনালে পৌঁছেছিল আর্জেন্তিনা। ফুটবলার, ফুটবল কোচিংয়ের পাশাপাশি একজন চিকিৎসকও ছিলেন বিলার্দো।

উল্লেখ্য, লাতিন আমেরিকার দেশটিতে কোভিড১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। ব্রাজিলের মতো ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি না হলেও আর্জেন্তিনায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ১,২০০ ছুঁই ছুঁই এই মুহূর্তে। সাম্প্রতিক সময়ে কোভিড১৯’র বাড়বাড়ন্তের কারণে ফের রাজধানী শহর বুয়েনস আয়রস এবং তাঁর সংলগ্ন অঞ্চলে শুক্রবার লকডাউন আরও কঠোর করেছে সেদেশের সরকার।

পড়শি দেশ ব্রাজিলের অবস্থা ভয়ানক। প্রায় ১৩ লক্ষ মানুষ কোভিড১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন সেই দেশে। মৃতের সংখ্যা ৫৬ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে সাম্বার দেশে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।