সাও পাউলো: গ্যারি মেডেলের সঙ্গে প্রথমার্ধের ঝামেলা, যেখানে লিওনেল মেসির ভূমিকা ছিল সামান্যই৷ আগ্রাসী হয়ে সংঘর্ষে জড়ার চিলির ডিফেন্ডার৷ তা সত্ত্বেও লাল কার্ড দেখতে হয় আর্জেন্তাইন তারকাকে৷ যদিও রেফারি মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন চিলির ফুটবলারকেও৷ তবু বিশেষজ্ঞদের দাবি লাল কার্ড দেখার মতো অপরাধ করেননি মেসি৷ বরং গ্যারিকে মাঠ থেকে বার করে দেওয়া যেত তৎক্ষণাৎ৷

সেমিফাইনালে রেফারির পক্ষপাতিত্বের যে অভিযোগ তিনি করেছিলেন, সেই প্রসঙ্গ পুনরায় টেনে এনে লাল কার্ড বিস্ফোরক মেসির নিজের মত, ‘ঘোর দূর্নীতি চলছে৷ এমন উত্তেজক ম্যাচে ছোটখাটো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেই থাকে৷ দু’দনকে হলুদ কার্ড দেখালেই যথেষ্ট ছিল৷ তবে আগেই বলেছি, টুর্নামেন্টে যে মানের রেফারিং চলছে, তার সব কিছু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত৷ আমাদের এমন দূর্নীতির শরিক হওয়া কখনই উচিত নয়৷’

ম্যাচের ৩৭ মিনিটের মাথায় মেসিকে মাঠ ছাড়তে হলেও কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান নির্নায়ক ম্যাচে জয় তুলে নিতে অসুবিধা হয়নি আর্জেন্তিনার৷ সার্জিও আগুয়েরো ও পাউলো দিবালার প্রথমার্ধের গোলর সুবাদেই গত দু’বারের চ্যাম্পিয়ন চিলিকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে কোপার ব্রোঞ্জ মেডেল জেতে আর্জেন্তিনা৷ দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে চিলির হয়ে ব্যবধান কমান ভিদাল৷

ম্যাচের ১২ মিনিটে মেসির পাস থেকে গোল করে আর্জেন্তিনাকে এগিয়ে দেন আগুয়েরো৷ ২২ মিনিটে জিওভানির পাস থেকে আর্জেন্তিনার হয়ে দ্বিতীয় দোল করেন দিবালা৷ ৩৭ মিনিটে মেসির বিতর্কিত লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়া৷ ৫৯ মিনিটে ভিদালের স্পট কিকে ব্যবধান কমায় চিলি৷

ম্যাচের শেষে ক্ষুব্ধ মেসি পদক নিতে আস্বীকার করেন৷ তিনি দলের ফটো সেশনেও উপস্থিত ছিলেন না৷ রেফারির প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে লিওর দাবি, ‘ভিএআরের ব্যবহার করা হলে ছবিটা অন্যরকম হয়ে পারত৷ আসলে টুর্নামেন্টে সব কিছুই ব্রাজিলকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য চলছে৷ আমি এই দূর্নীতির অংশ হতে চাই না৷ আমাদের উচিতও নয়৷ যেভাবে টুর্নামেন্টে আমাকে আসম্মান করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না৷’