পাটনা: সাংবাদিকদের পাকিস্তানি বলে কটাক্ষ করে বিতর্কে জড়ালেন বিহারের মন্ত্রী। ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলতে রাজি না হওয়ায় এমনটা বলেন বিহারের মন্ত্রী বিনোদ কুমার সিং। উপস্থিত সবাইকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলতে বলেন ওই মন্ত্রী। উপস্থিত সাংবাদিকরা তা না বলায় আচমকা তিনি বলে ওঠেন, ‘আপনারা কি পাকিস্তানের সমর্থক?’

এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ‘প্রথমে আপনারা ভারত মাতার সন্তান, পরে আপনারা মিডিয়ার লোক’। বিনোদ কুমার সিং বিহারের খনি বিষয়ক মন্ত্রী। তাঁর এই বক্তব্য স্বাভাবিকভাবেই সোরগোল ফেলেছে বিরোধী মহলে

এর আগে ২০১৫ তে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সাংসদ অশ্বিনী কুমার চৌবে বলেছিলেন, নীতিশ কুমার ও লালু প্রসাদের পাকিস্তানে চলে যাওয়া উচিৎ। সেই মন্তব্যও স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তৈরি করেছিল। এরপর আরও সাংসদ গিরিরাজ সিং বলেছিলেন, ‘নীতিশ কুমার ও লালু প্রসাদ মিলে বিহারকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলতে চাইছে। এছাড়া বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বলেছিলেন, যদি তাঁর দল বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যায় তাহলে নাকি বাজি পোড়ানো হবে পাকিস্তানে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।