স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নিউটাউনে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ওপর হামলার ঘটনার জন্য তাঁকেই দায়ী করলেন তৃণমূল ‘ডন’ নেতা আরাবুল ইসলাম। তিনি বললেন,”কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিলীপবাবু ভাঙড়ে ঢুকে সাধারণ মানুষকে উত্ত্যক্ত করার কোনও দরকার ছিল না।”

আরাবুলের কথায়, ” ভাঙরে ইতিমধ্যে ৩২ জন করোনায় আক্রান্ত। সেই মুহূর্তে যখন সাধারণ মানুষ মুখে মাক্স এবং দূরত্ব বজায় করে কঠিন সময়ে লড়ছেন, তখনই দিলীপবাবু ভাঙরে ঢুকে সাধারণ মানুষকে উত্তপ্ত করছেন। মানুষ সেই জবাবটা দিয়েছে।” সম্প্রতি দিলীপ ঘোষ নিউটাউনের জোতভীম এলাকায় নতুন একটি আবাসনের ফ্ল্যাটে থাকতে শুরু করেছেন। সেখানে প্রতিদিনই মর্নিং ওয়াকে বেরিয়ে জনসংযোগ সারেন তিনি।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি চা চক্রের মতো ছোট ছোট কর্মসূচিও করেন। বুধবারও তেমনই একটি চা চক্রের আয়োজন করা হয় ওই আবাসনের পিছনের দিকে আঠেরতলা বাজারে। দিলীপ ঘোষ সেখানে যাওয়ার আগে থেকেই সেখানে গন্ডগোল শুরু হয়। তিনি পৌঁছনোর পর তা চরমে ওঠে।

অভিযোগ, সেই সময় দিলীপ ঘোষ বাজারে ঢুকতে গেলে তাঁকে বাধা দেয় তৃণমূল কর্মীরা। বিজেপি কর্মীদের পাশাপাশি খোদ সাংসদকেও আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির কয়েকটি গাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়েছে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘আমি এই বাড়িতে থাকতে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তৃণমূল সমস্যা শুরু করেছে। কখনও এনকেডিএ, কখনও হিডকো, কখনও পুলিশকে দিয়ে নানা ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। আজ আমার চা চক্রে বাধা দেওয়া হল। আমাকে তৃণমূলের এত কিসের ভয় বুঝতে পারছি না।’’

পরে সাংবাদিক বৈঠকে দিলীপবাবু জানান, খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁকে ফোন করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘যে সব কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা থানায় লিখিত অভিযোগ জানাবেন। আমি নিজেও পুলিশ কমিশনারকে মৌখিক ভাবে জানাব।’’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ