নয়াদিল্লি: এবার অ্যাপ-এর মাধ্যমে গরু বিক্রি। কৃষকরাও তাঁদের গবাদি পশুর বিক্রির জন্য প্রযুক্তির এই সাহায্য পেয়ে দারুণ সাড়া দিতে শুরু করেছেন। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে গবাদি পশু বিক্রির এই অ্যাপ। অ্যানিম্যাল, পশুশালা, পশুলোক, পশু মেলা, পশুব্যাপার-সহ একাধিক অ্যাপ এদেশে রীতিমতো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে কৃষকদের মধ্যে।

গ্রামীণ ভারতে এক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য হল পশু মেলা। এখনও দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সময় পশুদের হাট বসে। পছন্দের পশু সেই হাটে গিয়ে কিনে নেন অনেকে। ধীরে ধীরে দেশ প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে দারুণ উন্নতি করেছে। এবার গবাদি পশু বিক্রি আরও সহজ হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যেই দেশে অ্যানিম্যাল, পশুশালা, পশুলোক, পশু মেলা, পশুব্যাপার-সহ একাধিক অ্যাপ এসে গিয়েছে।

এই অ্যাপগুলিতে কৃষকরা তাঁদের গবাদি পশির ছবি তুলে এবং বিক্রির জন্য একটি নির্দিষ্ট দাম উল্লেখ করে দিচ্ছেন। সহজেই সেই অ্যাপে ঢুকে অন্যরা সেই গবাদি পশু কিনে নিতে পারছেন। ইতিমধ্যেই অ্যানিম্যাল অ্যাপটি হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানে ৪০ লক্ষেরও বেশি মানুষ ডাউনলোড করেছেন। এই অ্যাপটি লঞ্চ হয়েছিল ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে।

দিল্লি আইআইটি-র এক পড়ুয়া বলেন, ‘‘লকডাউন উঠে যাওয়ার পর অ্যাপের জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ৫০,০০০, ২০১০ সালের নভেম্বরে ৩০,০০০ এবং ডিসেম্বরে ৪০,০০০ গবাদি পশু বিক্রির ব্যবসা হয়েছে’’। গবাদি পশু বিক্রির জন্য তৈরি অ্যানিম্যাল অ্যাপের সুবিধা শুধুমাত্র হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে মিলছে।’’

শুরুর দিকে গবাদি পশু বিক্রির জন্য তৈরি অ্যাপে ব্যবসা হওয়া নিয়ে ঘেরাতর আশঙ্কায় ছিল অ্যাপ প্রস্তুতকারক সংস্থা। সংস্থার এক কর্ত্রী বলেন, ‘‘প্রথম দিকে অনলাইনে যে পোশাক বিক্রিও সম্ভব, এটাই তো অনেকে ভাবেননি। কিন্তু এখ সেই ধারণা বদলেছে। এক্ষেত্রে ধীরে ধীরে ব্যবসা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।’’

গবাগি পশু বিক্রির আরও একটি জনপ্রিয় অ্যাপ হল পশুশালা। এই অ্যাপটির কর্ণধার রাঁচি আইআইএম-এর গৌরব চৌধুরী জানিয়েছেন, করোনাকালেও ১৫ হাজার কৃষকের ফোন তাঁরা পেয়েছিলেন। কীভাবে গবাদি পশু তাঁদের এই অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি বা কেনে যেতে পারে সেব্যাপারে তাঁরা খোঁজ নিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।