তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: রুক্ষ, শুস্ক, লাল মাটির বাঁকুড়ায় উৎপাদিত হচ্ছে আপেল। কথাটা শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। সৌজন্যে ‘পরশমনি’ নামে একটি সংস্থা। ওই সংস্থার নিজস্ব ফার্মে উৎপাদন শুরু হয়েছে ‘গ্রীণ আপেল’। নানান ধরণের বীজ বৈচিত্র, জৈব চাষ, গোখাদ্য ও আম উৎপাদনে ইতিমধ্যে প্রায় বিশ্ব জুড়েই বিশাল পরিচিতি লাভ করেছে বাঙ্গালী প্রতিষ্ঠান ‘পরশমনি’।

এবার বাঁকুড়ায় নিজস্ব কৃষি খামারে ‘গ্রীণ আপেল’ উৎপাদন করে নজির গড়তে চলেছেন তারা। ‘পরশমনি’ সূত্রে জানানো হয়েছে, গত কয়েক বছর আগে সুরাটের ইণ্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ফার্মার সিস্টেম রিসার্চের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২৫ টি ‘আন্না’ ও ‘ডিজার্ট গোল্ডেন’ প্রজাতির আপেলের চারা আনা হয়।

পরীক্ষামূলকভাবে এই গাছ তাদের নিজস্ব কৃষি খামারে লাগানো হয়। পরবর্তী সময়ে ঐ গাছ থেকে ফল উৎপাদন শুরু তা স্বাদ যথেষ্ট ভালো বলেই তারা জানিয়েছেন। ‘পরশমনি’ বাঁকুড়ার তরফে সিদ্ধার্থ সেন এবিষয়ে বলেন, বাঁকুড়ার মাটিতে আপেল চাষ এখনো গবেষণার পর্যায়ে আছে।

ফাইল ছবি

বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হতে এখনো মোটামুটি দু’বছর সময় লাগবে। কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে এই প্রকল্প সাফল্যের মুখ দেখলেও বাঁকুড়ার জলবায়ুতে উৎপাদন, স্বাদ ও বাজারে চাহিদা কেমন রয়েছে সেবিষয় এখন দেখতে হবে বলে তিনি জানান।

সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে আম, আঙ্গুর, মৌসুম্বীর পর আগামী দিনে আপেল চাষেও সাফল্যের নজির গড়তে চলেছে দক্ষিণের এই জেলা। একথা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ