কলকাতা- সিটি অফ জয় এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সব তছনছ করে দিয়েছে সুপার সাইক্লোন আমফান। ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে কলকাতার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে এই ঝড়। কতটা ক্ষতি হয়েছে তা এখনও কল্পনাতীত। আয়লার চেয়েও সাংঘাতিক রূপ বাংলার মানুষকে দেখিয়েছে আমফান।

তবে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্র থেকে আম ফানি কে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করা হয়নি। পরিচালক তথা অভিনেত্রী অপর্ণা সেন বাংলা এই বিধ্বংসী দুর্যোগকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করার জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করলেন একটি টুইটের মাধ্যমে।

অপর্ণা সেন টুইট করেছেন, গতকালের এই সাইক্লোন কে কেন্দ্রের জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করা উচিত সাহায্যের জন্য রিলিফ ফান্ড তৈরি করা উচিত।

এটুকু বলাই যায়, এই দুর্যোগে বহু মানুষের প্রাণ গিয়েছে এবং রাজ্যের বহু সম্পদ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আগে থেকে সাবধানতা নিয়েও সবসময়ের মতই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দরিদ্র মানুষরা। অপর্ণা সেনের এই টুইট মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন তারা এই দুর্দিনে বাংলার পাশে রয়েছেন। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের প্রায় এতদিন পরে কেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রসঙ্গত, এই ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে গোটা কলকাতাসহ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। বহু গাছ পড়ে গিয়েছে। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে উপরে গিয়েছে বহু বৈদ্যুতিক খুঁটি। যার ফলে বহু এলাকা এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। উত্তর ২৪ পরগনায় ৫ হাজার কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়েছে। প্রবল ঝড়ের তোড়ে কলকাতার একাধিক জায়গায় উপরে পড়েছে গাছ। ভেঙে পড়েছে ট্রাফিক সিগন্যাল।

সেন্ট্রাল এভিনিউ-তে একদিকে যান চলাচল বন্ধ করল পুলিশ। জানা যাচ্ছে, নবান্নে একাধিক ঘরের দরজা ভেঙে গিয়েছে। বিশেষ করে প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায় যে ঘরে বসতেন সেই ঘরের দরজা ভেঙে গিয়েছে সম্পূর্ণ ভাবে। নবান্নের মধ্যে জল ঢুকে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

অন্যদিকে কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে প্রচুর গাছ উপড়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে রাস্তা। জমেছে ব্যাপক জলও।কাল ঝড়ের পরে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গর অবস্থা খুব শোচনীয়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘ধ্বংসস্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।