কলকাতা: অপর্না-সৌমিত্র। বাংলায় সিনেমার ইতিহাদস লেখা হলে একটা অধ্যায় হয়ত থাকবে তাঁদের জন্য। ‘বসন্ত বিলাপ’ থেকে শুরু করে ‘বহমন’। জার্নিটা অনেক লম্বা। তাই সৌমিত্রের চলে যাওয়ায় রীতিমত ভেঙে পড়লেন অপর্ণা।

সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে গলা ভেঙে এল তাঁর। বললেন, মাথার উপর থেকে ছাতা সরে গেল। শেষের দিকেও ‘বহমন’ ও ‘বসু পরিবার’ -এও একসঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। শেষের দিকেও শ্যুটিং-এ গিয়ে বই পড়া, গান শোনা নিয়ে গল্প হত বলে জানিয়েছেন।

অপর্ণা বলেন, ‘একে একে সবাই চলে যাচ্ছে। আমার চারপাশের চেনা জগৎটা যেন হারিয়ে যাচ্ছে।’

৪০ দিনের লড়াই শেষ। তাঁর ওভাবে শুয়ে থাকাটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না আপামর বাঙালি। ক্যান্সারকে হারিয়ে একের পর এক ছবি উপহার দেওয়া সৌমিত্র যেন এবারটাও জিতেই ফিরবেন।

এই আশাতেই বুক বাঁধছিলেন অগণিত ভক্ত। তবু সবকিছুরই একটা উপসংহার থাকে। সেভাবেই শেষ হয়ে গেল একটা অধ্যায়। চলে গেলেন অপু। আর এই  খবর কানে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন অপর্না সেন। দীর্ঘদিনের বন্ধু সৌমিত্র। একাধিক সিনেমাতে অভিনয় করেছেন তাঁরা।

অন্যদিকে, সোনার কেল্লা ছবিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মুকুলের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন কুশল চক্রবর্তী। তখন কুশলের বয়স মাত্র ৬। এক সংবাদমাধ্যমের কাছে শৈশবের স্মৃতিচারণ করলেন অভিনেতা।

তিনি বললেন, আমার তখন ৬ বছর বয়স। সোনার কেল্লার সময় থেকেই শুরু করে ৪৫ বছর ধরে আমার ওঁর সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ। ওঁর সঙ্গে বহু ছবিতে কাজ করেছি। একজন মানুষ দাদাসাহেব ফালকে সহ সর্বোচ্চ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর ব্যবহারে কখনও আমাদের মনে হয়নি সেটা।

সোনার কেল্লার পরে বড় হয়েও বেশ কিছু ছবিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিনয় করেছেন কুশল। কিন্তু প্রয়াত অভিনেতা এতই আন্তরিক ছিলেন যে তাঁর ব্যবহারে কখনও মন হয়নি যে তিনি বড় মাপের অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত একজন ব্যক্তিত্ব।

কুশল স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলছেন, হয়তো শ্যুটিং আগে শেষ হয়ে গিয়েছে আর উনি পাশের ঘরে বসেছেন। কিন্তু কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বেরনোর সময় বলছেন, কুশল আমার আজ প্যাক আপ হয়ে গিয়েছে। কাল তোর সঙ্গে দেখা হবে! উনি একটা একটা যুগ। উনি একটা যুগের ধ্বজাধারী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I