স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: ঝুলিতে ৬৮২ নম্বর৷ মেধাতালিকা বলছে রাজ্যে নবম হয়েছে এই কন্যা৷ জলপাইগুড়ির মুখ উজ্জ্বল করে অনুষ্কা মহাপাত্রের ছোট্ট জবাব টিউশনের দরকার পড়েনি৷ বাবা মা ছিলেন পাশে৷

হ্যাঁ, বাবা মাকে সামনে রেখেই জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা সাফল্যের সঙ্গে পেরিয়ে গেল জলপাইগুড়ি জেলার প্রথম স্থানাধিকারী অনুষ্কা৷ আশালতা স্কুলের এই ছাত্রীর বাড়ি জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ক্যাম্পাসে৷ যে বাবা মাকে সামনে রেখে অনুষ্কার এই সাফল্য, সেই অসীম মহাপাত্র জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যাপক৷ শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন মাও৷ তাই অনুষ্কার অন্য কোনও টিউশনের দরকার পড়েনি কখনই৷

মার্কিশিট বলছে অনুষ্কার সাফল্যের কথা৷ বাংলায় ৯৪, ইংরাজিতে ৯৭, অঙ্কে ৯৮, ভৌতবিজ্ঞানে ৯৯, জীবন বিজ্ঞানে ৯৮, ইতিহাসে ৯৮ ও ভূগোলে ৯৮ পেয়েছে অনুষ্কা৷ সব মিলিয়ে ৬৮২ নম্বর জ্বলজ্বল করছে তার মার্কশিটে৷ তবে বড় হয়ে কী হবে, এই প্রশ্নের উত্তরে অনুষ্কার জবাব, ঠিক করিনি, তবে প্রিয় বিষয় গণিত নিয়ে পড়ার ইচ্ছা রয়েছে৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ