মুম্বই: বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মার সদ্যজাত কন্যা সন্তানকে ওয়েলকাম জানাল আমূল৷ নতুন টপিক্যালে বিরুষ্কা কন্যাকে জায়গা দিয়েছে দেশের অন্যতম দুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা৷

সোমবারই দেশের অন্যতম তারকা দম্পতি বিরুষ্কার কন্যা সন্তান হয়েছে৷ বুধবারই মুম্বইয়ের পাপারাৎজিদের উদ্দেশে বিরুষ্কা জানিয়েছে, ‘আমাদের ছবি তুলুন৷ কিন্তু দয়া করে এখনই মেয়ের ছবি তুলবেন না। এত বছর ধরে আপনারা আমাদের যে ভালবাসা দিয়েছেন তার জন্য অনেক ধন্যবাদ।’

বিরুষ্কা কন্যাকে দেখার জন্য উদগ্রীব নেটাগরিকরা। কিন্তু করোনার কারণে সর্তকতা হিসেবে নিকটাত্মীয়দেরও হাসপাতালে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি ভারতীয় ক্রিকেটের ফার্স্ট ম্যান ও ফার্স্ট লেডি’র তরফে৷ বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা মুম্বইয়ের পাপারাৎজিদের উদ্দেশে যে বার্তা দিয়েছেন তা হল, “Hi, Thank you for all the love that you have given us for all these years. We are happy to celebrate this momentous occasion with you. As parents, we have a simple request to make to you. We want to protect the privacy of our child and we need your help and support.”

এদিন ডায়েরি জায়েন্ট আমূল তাদের নতুন টপিক্যালে বিরাট ও অনুষ্কার প্রথম সন্তান জন্ম সেলিব্রেশন করে৷ যাতে দেখা গিয়েছে, প্যারামবুলেটরে শুয়ে রয়েছে বিরাট কন্যা৷ আর দু’পাশে বসে রয়েছেন বাবা বিরাট ও মা অনুষ্কা৷ যার ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “Bowled over by this delivery. Welcome it home.” Fans found the illustration lovely. “This is so cute,” wrote one. “Imagine growing up to find amul covered your birth with an ad! Such fun.”

মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে রয়েছেন অনুষ্কা৷ তবে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে কাউকে ঢুকতে দিতে নারাজ সেলিব্রিটি কাপল। এমনকি আত্মীয়, বন্ধুদেরও নয়৷ কোনও ফুল বা উপহার নিচ্ছেন না ক্রিকবলি দম্পতি৷ হাসপাতালে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ কয়েক দিনের মধ্যেই বাড়ি ফিরবেন বিরাটপত্নী৷

২০১৭ ডিসেম্বরে ইতালিতে এক রাজকীয় অনুষ্ঠানে বলি সেলেব অনুষ্কাকে বিয়ে করেন কোহলি৷ তারপর থেকে বলিউডে কম, ক্রিকেট মাঠে বিরাটের পাশে বেশি দেখা গিয়েছে অনুষ্কাকে৷ গত বছর ২৭ অগস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুষ্কার সন্তান সম্ভাবার কথা জানিয়েছিলেন কোহলি৷ কিন্তু তার পরেও অর্থাৎ নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণেও বিরাটের ছায়াসঙ্গী ছিলেন অনুষ্কা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।