মুম্বই: সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছেন বলিউডের অন্যতম অভিনেতা ঋষি কাপুর। তিনি যখন প্রথম ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন সে খবর খুব ঘনিষ্ঠরাই জানতেন। তাঁদের মধ্যে বিনোদন জগত থেকে অন্যতম হলেন পরিচালক অনুরাগ বসু। অনুরাগ একদম প্রথমেই জানতেন ঋষি কাপুরের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর। অনুরাগ নিজেও একজন ক্যান্সারজয়ী মানুষ। ২০০৪ সালে লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরে চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন পরিচালক।

সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে অনুরোধ জানিয়েছেন, ঋষি কাপুরের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রথমে কয়েকজন মাত্র জানতেন। তাঁদের মধ্যে তিনি নিজেও ছিলেন। অভিনেতা তথা ঋষি কাপুরের পুত্র রণবীর কাপুর এই খবর জানিয়েছিলেন অনুরাগ কে। তিনি বলছেন, “আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম যে কিভাবে চিকিৎসা করা উচিত। আমি আমার চিকিৎসকের নম্বর রণবীরকে দিয়েছিলাম। তারপর ওঁরা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে আমাকে বিষয়টি জানান।”

টানা এক বছর চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কে ছিলেন ঋষি কাপুর। সঙ্গে গিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী নিতু। ২০১৯ এর সেপ্টেম্বর মাসে তারা মুম্বাই ফেরেন। তারপরে কাপুর পরিবারের সঙ্গে একদিন ডিনার করেছিলেন অনুরাগ। অনুরাগ বলছেন, “নিতুজি চিকিৎসা সম্পর্কে আমাকে বলেছিলেন। আর তখন চিন্টুজি মিষ্টি খাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠেছিলেন। ওঁর মিষ্টি খাওয়া বারণ ছিল। নিতুজি ওঁর কাছ থেকে মিষ্টি সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছিলেন। আর এই নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া বেঁধে গেল। বিষয়টি যদিও খুব মিষ্টি ছিল।”

প্রসঙ্গত ২০১৮ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ঋষি কাপুর। তারপরে নিউ ইয়র্কে চিকিৎসার জন্য চলে যান তিনি। সঙ্গে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী নিতু কাপুর। ঠিক এক বছর পর দেশে ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু বুধবার সকালে হঠাৎই শরীর খারাপ করে ঋষির। তড়িঘড়ি তাকে ভর্তি করা হয় মুম্বাইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে। আর পরের দিনই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দুঃসংবাদ আসে। প্রয়াত হন অভিনেতা। বলিউডে তৎক্ষণাৎ নেমে আসে শোকের ছায়া।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ