কলকাতা: শনিবারই সর্বভারতীয় বিজেপি নেতৃত্বে বড়সড় বদল ঘটিয়েছেন জেপি নাড্ডা। মুকুল রায়কে দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি করার পাশাপাশি তাঁর স্নেহভাজন বিজেপির তরুণ নেতা অনুপম হাজরাকেও দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক পদে দায়িত্ব দিয়েছে দল।

সর্বভারতীয় স্তরে এই দায়িত্ব পেয়ে স্বভাবতই খুশি অনুপম। ফোনে Kolkata24x7-কে তিনি বললেন, ‘‘তৃণমূলকে নির্মূল করাই আসল লক্ষ্য, সেই লক্ষ্যে যেন পৌঁছতে পারি’’।

অবশেষে বিজেপিতে বড়সড় পদ পেলেন মুকুল রায়। দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি করা হল বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদকে। মুকুল রায় ছাড়াও বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি পদে নিযুক্ত হলেন ছত্তীসগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং, রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রঘুবর দাস-সহ মোট ১২ জন।

এরই পাশাপাশি বাংলা থেকে আরও দু’জনকে সর্বভারতীয় বিজেপি নেতৃত্বে সামিল করা হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক পদে নিযুক্ত করা হয়েছে অনুপম হাজরাকে। একইসঙ্গে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্যানেলে রাখা হয়েছে দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু সিং বিস্তাকেও।

এদিন দলের সর্বভারতীয় সম্পাদকের পদের দায়িত্ব পেয়ে স্বভাবতই শীর্ষ নেতৃত্বকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপির তরুণ নেতা অনুপম হাজরা। বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ অনুপম ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে যাদবপুর থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন।

সেবার তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তীর কাছে বিরাট ব্যবধানে হারতে হয়েছে তাঁকে। তবে তারপরেও দলে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন অনুপম। এবার তারই ‘পুরস্কার’ পেলেন তিনি। দলে মিলল বড় পদ।

ফোনে Kolkata24x7-কে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় অনুপম বলেছেন, ‘‘তৃণমূলকে নির্মূল করাই আমাদের আসল লক্ষ্য, সেই লক্ষ্যে যেন পৌঁছতে পারি। যে গুরুদায়িত্ব দল দিয়েছে তা অক্ষরে-অক্ষরে পালন করব।’’

এদিকে, তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন রাহুল সিনহাকে কোনও কমিটিতেই রাখা হয়নি। বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক ছিলেন রাহুল সিনহা। শনিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার ঘোষিত কোনও কমিটিতেই ঠাঁই হয়নি বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।