কলকাতা: ‘চড়াম-চড়াম’ পুরনো হয়ে গিয়েছে। ‘গুড়-বাতাসা’, ‘নকুলদানা’ও অনেক বিকিয়েছে বাজারে। ‘পাঁচনের বাড়ি’ ও এখন ‘আউট অফ মার্কেট’। এমনকি ‘শুঁটিয়ে লাল করে দেবো’ও বহু ব্যবহারে ক্লিশে । এমতাবস্থায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলকে চাঙ্গা করতে লেটেস্ট দাওয়াই ‘রেডি’ করছেন অনুব্রত মণ্ডলের। শুধু অপেক্ষা জনসভার।

চোখা ডায়লগ আর গরম হুঙ্কারে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডল খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন শুধুমাত্র বিতর্কিত মন্তব্য করে। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের আগে তেমন ফর্মে দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ অনুব্রত। তাঁর বক্তব্য, জনসভা শুরু হলেই তিনি আবার ফর্মে ফিরবেন।

মঙ্গলবার কলকাতা24×7-এর ফেসবুক লাইভে অনুব্রত বলেন, “আমি আগের মতোই রয়েছি। এতটুকু বদলাইনি। এখন জনসভা হচ্ছে না বলে দাওয়াই দেওয়া বন্ধ রেখেছি।”

প্রসঙ্গত, কদিন আগেই অনুব্রত মন্ডল, বীরভূমবাসীর উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, “দলের কেউ যদি কোনও অন্যায় করে থাকে তাহলে আমি হাত জোড় করে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।” তাঁর এই বিনয়ের কথা শুনে অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। অনেকেই ভাবছিলেন, অনুব্রত মন্ডলের হল টা কি? কিন্তু এদিন কেষ্ট দা নিজেই জানালেন তিনি একদম আগের ফর্মেই রয়েছেন। প্রমাণ দেওয়াটা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।