কলকাতাঃ  দলের প্রাক্তন হেভিওয়েট বিধায়ক স্বপনকান্তি ঘোষের সঙ্গে দেখা করলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সুপ্রিমো অনুব্রত মণ্ডল ও সহ-সভাপতি অভিজিত্‍ সিংহ। দল ছেড়ে চলে যাওয়া প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে আচমকাই পৌঁছে যান অনুব্রত মন্ডল। বীরভূমের মহম্মদবাজারে দলীয় কর্মসূচি সেরে বিধায়কের প্যাটেলনগরের বাড়িতে হাজির হন তৃণমূলের ওই দুই নেতা।

দল ছেড়ে যাওয়া হঠাত প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে কেন অনুব্রত মন্ডল? তা নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে সৌজন্য সাক্ষাত্‍ বলেই দাবি করা হয়েছে।

যদিও অন্য একটা সূত্রের খবর, প্রাক্তন বিধায়ককে দলে ফিরিয়ে ফের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াকিবহাল মহল। যদিও প্রাক্তন বিধায়ক রাজনীতিতে আর নয় বলে জানিয়ে ছিলেন আগেই।

তবে শেষ মুহূর্তে অনুব্রত মন্ডলের মতো নেতা প্রভাবশালী ওই নেতাকে ভোটে দাঁড়ানোর জন্যে রাজি করাতে পারেন কিনা সেটাই এখন দেখার। জানা যায়, ২০১১ নির্বাচনে সিউড়ি থেকে জয়ী হন স্বপনবাবু। পরবর্তী সময়ে সিউড়ি পুরসভার পানীয় জলের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে মতানৈক্যের কারণে দল ছেড়ে বেরিয়ে যান।

অবশ্য অন্য কোনও দলে যাননি তিনি। রাজনৈতিকভাবে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। সেই সময় জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও স্বপন ঘোষ বিপরীত মেরুতে অবস্থান করতেন। তাদের গোষ্ঠী কোন্দলের বিষয় সবাই জানতেন। কিন্ত দল ছাড়ার পর সিউড়ির প্রাক্তন বিধায়ককে বা জেলা তৃণমূল সভাপতিকে একে অপরের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শোনা যায়নি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে অনুব্রত মণ্ডল স্বপনবাবুর বাড়ি যাওয়ায় তাই জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। তাঁদের শীতল সম্পর্ক কি ফের উষ্ণতা ফিরে পাবে? সেটাই এখন বীরভূমের রাজনীতিতে জোর আলোচনার বিষয়।

জানা গিয়েছে, স্বপনবাবু ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে প্রশান্ত কিশোর সরাসরি তাঁকে ফের সিউড়ি থেকে ভোটের ময়দানে নামার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছেন স্বপনবাবু।

২০১৬র নির্বাচনে তৃণমূল সিউড়ি থেকে জিতলেও ২০১৯ এর লোকসভার নিরিখে বহু ভোটে পিছিয়ে রয়েছে। ইতিমধ্যেই ভূমিপুত্র বা এলাকার বাসিন্দা কাউকে প্রার্থী করুক শাসক দল এই আওয়াজ বিভিন্ন জায়গায় উঠতে শুরু করেছে। সেই পরিস্থিতিতে ফের স্বপন ঘোষকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করতে পারলে কিছু সুবিধা পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।