অতিরিক্ত পরিমানে অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়ার ফলে ওজনবৃদ্ধি হতে পারে শিশুদের৷ এমনই জানাচ্ছে গবেষণার তথ্য৷ শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন যাবদ এই ধরণের অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যাসিড দমনকারী ওষুধ নেওয়ার ফলে অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হতে পারে৷ কারণ, এই ধরণের ওষুধে থাকা উপাদানগুলি অন্ত্রমধ্যস্থ ব্যাকটেরিয়ার ধরন এবং স্বাভাবিক সংখ্যায় আনতে পারে পরিবর্তন৷ যেটি মোটেও স্বাভাবিক নয়৷

আরও পড়ুন: শিশু মৃত্যুর জন্য দায়ী বায়ুদূষণ? কী বলছে তথ্য

বাচ্চাদের ওজনবৃদ্ধির সঙ্গে এই ধরণের ওষুধ খাওয়ার প্রবণতার ঠিক কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই অনুসন্ধানে নামেন গবেষকরা৷ আর, সেখান থেকেই উঠে আসে এই তথ্য৷ যেখানে দেখা গিয়েছে ২০০৬ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ৩৩৩,৩৫৩ জন শিশুদের এই ধরণের ওষুধ প্রেসক্রাইব করা হয়েছে৷ যাদের বয়স ০-২ বছর৷ গ্রুপ মধ্যস্থ ৭২.৫ শতাংশ শিশুদের দেওয়া হয়েছিল অ্যান্টিবায়োটিকস৷ বাকিদের দেওয়া হয়েছিল অন্যান্য অ্যাসিড দমনকারী ওষুধ৷

আরও পড়ুন: বাংলা’র বাঘ মেরে যৌনক্ষমতা বাড়িয়েছে চিন!

গ্রুপের ১৪ শতাংশ (প্রায় ৪৬,৯৯৩ জন) শিশুর ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল ওজনবৃদ্ধির সমস্যা৷ গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, খুব কমবয়সে অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়া ওজনবৃদ্ধিকে বাড়াতে পারে ২৬ শতাংশ পর্যন্ত৷ তাই, অকারণে ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা থেকে দূরে থাকুন৷ কারণ, সামান্য কারণে ওষুধ খাওয়া থেকে ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে নানা রকমের শারীরিক জটিলতা৷ আবার, অনেকে বিনা প্রেসক্রিপশনেই ওষুধ খান৷ একবার বা দুবার নয়, প্রায় নিয়মিতই এই কাজ করে থাকেন৷ তাদের জন্য বিষয়টি মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে৷