নয়াদিল্লি: বিদ্যুতের গতিতে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। প্রতিনিয়ত ৪ লক্ষের বেশি মানুষ নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছে।গোটা দেশ জুড়ে তৈরী হয়েছে ভ্যাকসিনের আকাল। সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ভরসা ছিল একমাত্র রেমডেসিভির। আর সেই রেমডেসিভিরেরও চরম আকাল। এমন সংকটকালীন পরিস্থিতিতে ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন (Defence Research and Development Organisation) এবং ডঃ রেড্ডিজ ল্যাবের অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ ২ডিজি-কে (2-deoxy-D-glucose) জরুরি ভিত্তিতে ছাড়পত্র দিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনেরাল অফ ইন্ডিয়া(Drugs Controller General of India)।

DCGI জানিয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি করোনা আক্রান্তদের ওপর ট্রায়ালে দারুণ কাজ করেছে এই ২ডিজি। এটি করোনা রোগীদের অক্সিজেনের উপর নির্ভরতা কমাতে সক্ষম। এই ওষুধ ব্যবহারের পর অনেক আক্রান্ত রোগীর রিপোর্ট দ্রুত পজিটিভ এসেছে। সফল ট্রায়ালের পরেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। গত বছরের মে এবং অক্টোবরের মধ্যে পরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপে, ওষুধটি COVID-19 রোগীদের মধ্যে নিরাপদ বলে প্রমাণিত হয়েছিল। খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছিল। দ্বিতীয় রাউন্ডে ১১০ জন রোগীর উপর পরীক্ষা করা হয়েছিল। ছয়টি হাসপাতালে তৃতীয় রাউন্ডের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের হাতে এখন করোনার ৩ প্রতিষেধক। তবে ভ্যাকসিনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সমস্যা মেটানো সম্ভব নয়। করোনা আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করতে এই মূহুর্তে একটি অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ দরকার ছিল। অবশেষ সেই কাজটাই করে দেখাল ডিআরডিও ও ডঃ রেড্ডিজ ল্যাব। এই ওষুধ কতটা কার্যকর হতে পারে সেটাই দেখার বিষয়। তবে চিকিৎসকরা এমন একটা ওষুধের অপেক্ষায় ছিলেন। যা দিয়ে অসুস্থ রোগীদের দ্রুত সারিয়ে তোলা যায়।

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ১৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৬৭৬ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭ লক্ষ ২৩ হাজার ৪৪৬ জন। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি কমেছে দৈনিক সুস্থতার হার। যেখানে শুক্রবার সুস্থ হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ৫০৭ জন, সেখানে শনিবার ৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৬০৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.