মুজফফরাবাদ: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলছে চিন-পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। নিলাম এবং ঝিলাম নদীর উপর অবৈধভাবে ড্যাম তৈরি করছে চিন-পাকিস্তান, সেই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তপ্ত পাক-অধিকৃত কাশ্মীর।

শুধু তাই নয়, নিলাম এবং ঝিলাম নদীর উপর অবৈধভাবে ড্যাম তৈরির পাশাপাশি কোহালা পাওয়ার প্রজেক্টের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সেখানকারই মানুষ। প্রতিবাদে বারবার উঠে এসেছে, চিন এবং পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পরিবেশ এবং তাঁর প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্যুইটারে প্রচারে উঠে এসেছে নানা হ্যাসট্যাগ। বিশ্বের দরবারে বিষয়টি তুলে ধরতে #SaveRiversSaveAJK হ্যাসট্যাগটি লঞ্চ করা হয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে, কোন আইনের ভিত্তিতে পাকিস্তান এবং চিনের মধ্যে বিতর্কিত এই জমি নিয়ে চুক্তি হয়েছে ? জানানো হয়েছে, পাকিস্তান এবং চিন নদী দখলের মাধ্যমে রাষ্ট্রসংঘ সুরক্ষা কাউন্সিলের নিয়মভঙ্গ করছে।

প্রসঙ্গত, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে গিলগিট-বালতিস্তানে যে বাঁধ নির্মাণ করতে চলেছে চিন, তা পুরোপুরি চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক লেনদেন ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ফসল। অনলাইন সাংবাদিক সম্মেলনে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়ান জানান, কাশ্মীর ইস্যুতে চিনের অবস্থান স্পষ্ট। অর্থনৈতিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই দুদেশের সহযোগিতায় এই বাঁধ নির্মাণ হচ্ছে। এলাকার মানুষদের উন্নয়নের চেষ্টায় পাকিস্তানের পাশে রয়েছে চিন।

উল্লেখ্য, অধিকৃত কাশ্মীর ঘেঁষা গিলগিট-বালতিস্তানে দীর্ঘদিন ধরে একটি বাঁধ প্রকল্প করার চেষ্টা করছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভারতের বাধায় ভেস্তে যাচ্ছিল সেই পরিকল্পনা। এমনি ওয়ার্ল্ড ব্যাংক থেকে সাহায্য পাওয়ার আশাও শেষ হয়ে এসেছিল। এবার পাকিস্তানের আশা চিন দেবে এই প্রজেক্টের টাকা।

হিমালয় থেকে বয়ে যাওয়া সিন্ধু নদের উপর একটি বাঁধ প্রকল্পের পরিকল্পনা করছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভারত বাধা দেওয়ায় টাকা পাওয়া সমস্যা হয়ে উঠছিল। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এবার চিনের সহযোগিতাতেই কাশ্মীরের হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে সিন্ধু নদে ওই বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান।পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বুঞ্জি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করা হবে। ওই বাঁধ তৈরিতে খরচ হবে এক হাজার ২৬০ কোটি ডলার। সাত বছরে বাঁধটি নির্মাণ করা হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ